বেঁচে গেছি, সবাই দোয়া করবেন: তামিম
বিয়ানীবাজার বার্তা ডেস্ক
প্রকাশিত হয়েছে : ১৫ মার্চ ২০১৯, ১১:০২ পূর্বাহ্ণআন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে বন্দুকধারী সন্ত্রাসীর গোলাগুলির ঘটনায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়রা। ওই মসজিদে জুমার নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন তারা। ঘটনার পর টাইগার ওপেনার তামিম ইকবাল এক টুইটে নিজেদের নিরাপদে থাকার কথা জানিয়েছেন।
![]()
![]()
তামিম টুইটে লিখেছেন, বন্দুকধারীর গুলি থেকে আমরা পুরো দল বেঁচে গেছি। এটা খুবই ভীতিজনক একটি অভিজ্ঞতা। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।
![]()
![]()
জানা যায়, শুক্রবার (১৫ মার্চ) নিউজিল্যান্ডের স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে সেন্ট্রাল ক্রাইস্টচার্চের মসজিদ আল নূরে এক বন্দুকধারী হামলা করে। মসজিদে তখন জুমার নামাজ চলছিল। সিরিজের তৃতীয় টেস্ট খেলার জন্য ক্রাইস্টচার্চে ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম। হ্যাগলি ওভাল মাঠে তারা অনুশীলন করছিলেন। মাঠের পাশেই ওই মসজিদেই জুমার নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন তামিম ইকবালসহ বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সদস্যরা।
![]()
![]()
ঘটনাস্থলে ছিলেন ইএসপিএন ক্রিকইনফো’র বাংলাদেশ করেসপন্ডেন্ট মোহাম্মদ ইসাম। তিনি টুইটে লিখেছেন, হ্যাগলি পার্কের খুব কাছেই একটি মসজিদে বন্দুকধারীর হামলা থেকে বেঁচে গিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সদস্যরা। তারা হ্যাগলি পার্কের পেছন দিয়ে ওভাল মাঠে ফিরেছেন।
![]()
![]()
টুইটের সঙ্গে একটি ভিডিও-ও শেয়ার করেছেন ইসাম। তাতে দেখা যায়, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সদস্যরা ওই পার্কের ভেতর দিয়ে নিরাপদে ফিরছেন। এসময় আশপাশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গাড়ির শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল। এটি যে একটি ভয়ংকর অভিজ্ঞতা, সেটিও নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছিলেন ক্রিকেটাররা।
![]()
![]()
ভিডিওতে দেখা যায়, তামিম ইকবালের সঙ্গে তাইজুল ইসলাম, মেহেদী হাসান মিরাজ ও সৌম্য সরকার ত্রস্ত পায়ে ফিরছেন পার্কের ভেতরের একটি রাস্তা দিয়ে। আচমকা এ ঘটনার আতঙ্ক ছড়িয়ে রয়েছে তাদের চোখে-মুখে।
![]()
![]()
ক্রিকইনফো’র খবরে বলা হয়, পার্কের মধ্য দিয়ে হাঁটার সময় বাংলাদেশি খেলোয়াড়রা অন্য পথচারীদেরও ঘটনাস্থলের দিকে যেতে নিষেধ করেন। পরে তারা হ্যাগলি ওভাল মাঠে ফিরে আসেন। সেখানে ড্রেসিং রুমের মধ্যেই আছেন তারা।
![]()
![]()
দলের লিটন দাস ও নাঈম হাসান, কোচ স্টিভ রোডস এবং দলের বাকি কোচিং স্টাফ হোটেলে অবস্থান করছিলেন। তাদের হোটেলেই থাকতে বলা হয়েছে।
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()






