Thursday, 19 September, 2019 খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |




শ্রীমঙ্গলে পৌর মেয়রের ভাতিজাকে কোপাল সন্ত্রাসীরা

শ্রীমঙ্গল: পুর্বশত্রুতার জেরধরে নটরডেম কলেজের একাদশ শ্রেণীর মেধাবী ছাত্র ইমানী হোসেন অন্তরকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর ও চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে বাম বাহুর রগ কেটে ও বুকে ঘাই মেরে গুরুতর জখম করেছে সন্ত্রাসীরা। অধিক রক্তক্ষরনে অন্তর বর্তমানে ঢাকার এপোলো হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।

সে শ্রীমঙ্গল পৌরসভার বর্তমান মেয়র মো.মহসীন মিয়া মধুর ভাতিজা ও জালালিয়া সড়কের বাসিন্দা ব্যবসায়ী আতিকুর রহমান জরিফ মিয়ার ছোট ছেলে।

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় পৌর শহরের কলেজ সড়কের তৃষান হেয়ার ফ্যাশন সেলুনের সামনে সন্ত্রাসীরা তার উপর হামলা চালায়।

এ ঘটনায় আহত ইমানী হোসেন অন্তরের বড় ভাই মোশারফ হোসেন রাজ বৃহস্পতিবার রাতে শহরের শ্যামলী আবাসিক এলাকার মৃত মিনাই মিয়ার ছেলে সাগর মিয়া (১৮),শহরতলীর বিরাইমপুর আবাসিক এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হামিদের ছেলে ইমন মিয়া(১৯)সহ অজ্ঞাতনামা আরো ৫/৬ কে আসামী করে শ্রীমঙ্গল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ।

মোশাররফ হোসেন রাজ থানায় দেয়া লিখিত এজহারে উল্লেখ করেন,‘পূর্ব হতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সাগরের সাথে তার ভাইয়ের মনোমালিন্যতা ছিল। সাগর (১৮) এলাকার উশৃঙ্খল, বখাটে ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির ছেলে।

গত (২৭ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তার ভাই অন্তর তার বন্ধুদের নিয়ে কলেজ সড়কের তৃষান হেয়ার ফ্যাশন সেলুনের ফুটপাতের উপর হাঁটছিল। ঐসময় সাগর ও ইমনসহ আরো ৫/৬ জন পূর্বপরিকল্পিতভাবে হাতে দা, চাকু, কিরিচ, লোহার রড ও লাঠিসোঠা নিয়ে হামলা করে। এক পর্যায়ে সাগর মিয়ার হাতে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে অন্তরের বুকে ও গলায় ঘাই মারে।

খবর পেয়ে স্বজনরা আহত অন্তর কে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পাঠান। তার অবস্থার অবনতি দেখে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়, সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে রাতেই ঢাকার এপোলো হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

 





Developed by :