তিস্তা চুক্তি ও সীমান্তে হত্যা বন্ধে ভারতের আশ্বাস
বিয়ানীবাজার বার্তা ডেস্ক
প্রকাশিত হয়েছে : ১৬ জুন ২০১৯, ৯:৩৯ পূর্বাহ্ণঅনলাইন ডেস্ক: রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ভারতের সক্রিয় সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা, বহুল প্রত্যাশিত তিস্তা চুক্তি সম্পাদন ও সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।
ভারতের নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শংকরের সাথে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এসব সহযোগিতার কথা ব্যক্ত করেন।
![]()
![]()
শুক্রবার তাজাকিস্তানের রাজধানী দুশানোবেতে স্থানীয় হোটেল সেরিনায় তারা এ বৈঠকে মিলিত হন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এটি ছিল প্রথম বৈঠক।
![]()
![]()
কনফারেন্স অন ইন্টার্যাকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজারর্স ইন এশিয়া (সিআইসিএ)- এর পঞ্চম সম্মেলনে যোগ দিতে দুশানবেতে অবস্থানরত রাষ্ট্রপতির সফরসঙ্গী হিসেবে অবস্থান করছেন ড. আব্দুল মোমেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তির বরাতে বাসস এ তথ্য জানায়।
![]()
![]()
ড. এস জয়শংকর রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান, বহুল প্রত্যাশিত তিস্তা চুক্তি ও সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশসমূহের সাথে ভারতের সদ্ভাব ও সম্পর্ক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার পরিণত সংবেদনশীলতা প্রদর্শন করেছে।
![]()
![]()
‘ভারতের পূর্বমুখী অর্থনৈতিক প্রবেশদ্বার (গেটওয়ে) হিসেবে বাংলাদেশের অনন্য সম্ভাবনা ও ভূ-কৌশলগত সুবিধার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিআইএমএসটিইসি-কে শক্তিশালী করলে উভয় দেশের জন্য মঙ্গলজনক হবে। ভারত আঞ্চলিক সংযোগের ওপর সমধিক গুরুত্বারোপ করে থাকে বলেও জানান তিনি।
![]()
![]()
ড. মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাদের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা এবং পরিপক্ক ও প্রশংসনীয় নেতৃত্বের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘ বিরাজিত অমীমাংসিত ও স্পর্শকাতর ইস্যুসমূহ সমাধান করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে যে অভূতপূর্ব উচ্চতায় উন্নীত করেছেন, তা বিশ্বের অপরাপর দেশগুলোর জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
![]()
![]()
এ সময় তিনি ভারতের সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে এবং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস জয়শংকরকে অভিনন্দন জানান।
![]()
![]()
এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে প্রায় এক’শটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে (স্পেশাল ইকোনমিক জোন, এসইজেড) ভারতীয় বিনিয়োগ আকর্ষণে ড. এস জয়শংকরের সহযোগিতা কামনা করেন।
![]()
![]()
তিনি ২০২০ সালে অনুষ্ঠেয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের ৫০ বছরপুর্তি উদযাপনে ভারতকে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান।
![]()
![]()
বৈঠকে ড. এস জয়শংকর বাংলাদেশ সফরে আশার কথা ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরো সম্প্রসারিত হবে বলে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন।
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()






