৮০ পেরুনো তরুণরা
বিয়ানীবাজার বার্তা ডেস্ক
প্রকাশিত হয়েছে : ০৮ মার্চ ২০১৯, ৮:৩০ পূর্বাহ্ণবিয়ানীবাজারবার্তা২৪.কম।।
খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠেই গুলশান পার্কে কিছুক্ষন হাঁটাহাঁটি করেন। এরপর বাড়ীতেই কাটান সারাদিন। নিরেট অবসর। এই ১ ফেব্রুয়ারি ৮৯ পেরুলেন। অথচ রোগ বালাই থেকে শত হাত দুরে। যা কিছু সমস্যা বার্ধক্য জনিত। ব্যাঙেরও সর্দি হয় কিন্তু তেমন কিছু হয়না।
নিকটজনরা বলেন কঠোর নিয়মানুবর্তিতার জন্যই তিনি এখনও টিকে আছেন। তিনি বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদ। বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি।
![]()
![]()
৯৬-২০০১ মেয়াদে বিতর্কিত রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব শেষ করে লোক চক্ষুর আড়ালে গেছেন। আলোচনার কোন উপলক্ষ্যই তিনি দিতে চান না। এজন্যই সম্ভবত তাকে নিয়ে আলোচনার মতো অসুখ-বিসুখও নেই।
![]()
![]()
সাম্প্রতিক সময়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের অসুস্থতা নিয়ে রাজনীতিতে নানা আলোচনা। রাজনীতিবীদরা কেন এভাবে অসুখে পরেন? সব প্রবীণ রাজনীতিবীদই শরীরে নানা রোগ পুষে রেখেছেন। ইত্যাদি নানা আলোচনা।
এরমধ্যেই পাওয়া গেল এমন কিছু ‘আশি পেরুনো তরুণদের’ যাদের দেখলে যে কেউ ঈর্ষা করবে। তাদের দেখলে মনে হবে, সত্যিই ‘স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল।’ এদের একজন বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমেদ।
![]()
![]()
বিচারপতি সাহাবুদ্দিন একা নন। সদ্য বিদায় নেয়া অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের জন্ম ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৪। এই ফেব্রুয়ারিতে তিনি ৮৫ পার করলেন। সেদিন বলছিলেন ‘অবসর জীবনটা দারুন উপভোগ করছি। জমিয়ে লেখা লেখির কাজ করছি।’ অসুখ বিসুখ তার শিশুতোষ হাসি দেখে সম্ভবত ফিরে যায়।
![]()
![]()
মুহিত অবশ্য বিচারপতি সাহাবুদ্দিনের মতো নিয়মকানুনের ধার ধারেন না। অনেক রাত করে ঘুমান প্রায়ই। ভালো মন্দ খাবারে বয়স ভুলে যান। তারপরও শরীর নিয়ে তার কোন আক্ষেপ নেই, আতংকও নেই।
![]()
![]()
আবুল মাল মুহিতের একবছরের ছোট এইচটি ইমাম। তার জন্ম ১৫ জানুয়ারি ১৯৩৫। প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক উপদেষ্টাও এখন তারুন্যের অনেক গুন ধরে রেখেছেন। সুযোগ পেলেই প্যান প্যাসিফিক সোনারগায়ে হালকা শরীর চর্চা করেন। বার্ধক্য জনিত কিছু সমস্যা ছাড়া তিনি নির্ভার।
![]()
![]()
তবে সাবেক এই আমলা কঠোর নিয়ম মেনে চলেন। দুপুরে মধ্যাহ্ন আহারের পর চোখটা বন্ধ করে হালকা ন্যাপিং নেন এটা যেন তাঁর টনিক। এখনো যেকোন তরুনের চেয়ে প্রখর তার স্মরণ শক্তি। দিন তারিখ মুখস্ত বলেন। কে বলে বুড়ো হলো স্মৃতি নষ্ট হয়?
![]()
![]()
এইচ টি ইমামের চলাফেরায় তাও বার্ধক্য চোখে পরে। কিন্তু ব্যরিস্টার শফিক আহমেদ কে দেখলে যে কেউ বলবেন, সদ্য তারুণ্যকে বিদায় করেছেন। টগবগে চেহারার এই সাবেক আইনমন্ত্রীর জন্ম ১৬ জুলাই ১৯৩৭।
![]()
![]()
৮০ পেরুনোর অনেক আগে থেকেই মাছ, মাংস আর ভাত ছেড়েছেন এই বিনয়ী আইনজীবী। খাওয়া দাওয়া তার পোষাক-আষাকের মতোই মার্জিত, নিয়মিত। কঠোর নিয়ম-নীতির মধ্যে চলেন। জানালেন, মাছ মাংস ছেড়েছেন ৪০ বছর।
![]()
![]()
৮০ পেরুনো এই তরুণরা আমাদের প্রেরণা। স্বাস্থ্য নিয়ে দু:শ্চিন্তায় থাকা যেকোন মানুষই এদের থেকে শিখতে পারেন, কিভাবে ৮০ তেও হাসি রাখা যায়। -বাংলা ইনসাইডার
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()






