সোহেল তাজের পরিবারকে ধুয়ে দিলেন নাজমুল
বিয়ানীবাজার বার্তা ডেস্ক
প্রকাশিত হয়েছে : ২১ জুন ২০১৯, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণঢাকা: নিখোঁজ হওয়ার ১১ দিন পর সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজের ভাগ্নে সৈয়দ ইফতেখার আলম ওরফে সৌরভকে ময়মনসিংহের তারাকান্দা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ ২০ জুন বৃহস্পতিবার ভোরে তারাকান্দা থানার বটতলা নামক স্থানে জামিল অটোরাইস মিলের কাছ থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। সৌরভকে একটি মাইক্রোবাসে করে নিয়ে এসে এই অটো রাইস মিলের কাছে খেজুর গাছে বেঁধে রেখে যাওয়া হয়। সেখান থেকে মিল কর্মচারী ও ম্যানেজারের সহায়তায় বাসায় ফোন করেন সৌরভ। পরে ময়মনসিংহ পুলিশের সহায়তায় মায়ের বুকে ফেরেন সৌরভ।
![]()
![]()
এর আগে সৌরভের নিখোঁজের ঘটনায় সোহেল তাজ ফেসবুক লাইভ ও সংবাদ সম্মেলন করে তার ভাগ্নে নিখোঁজ ও তাকে দ্রুত উদ্ধারের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছিলেন।
সোহেল তাজের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। যেখানে সোহেল তাজ, তার বোন সিমিন হোসেন রিমি এমনকি তাঁদের প্রয়াত বাবাকে কটাক্ষ করা হয়েছে।
![]()
![]()
পাঠকদের সুবিধার জন্য স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
সোহেল তাজ চাইলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন। তাঁর আপন বোন সিমিন হোসেন রিমিও বর্তমানে এমপি। সংসদ অধিবেশনেও যাচ্ছেন। চাইলেই প্রধানমন্ত্রী কিংবা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে পারেন। কিন্তু ফেসবুক লাইভে বার বার এসে কেন এসব করছেন বুঝতে পারছিনা।
![]()
![]()
আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে এবংওনাদের সমস্যাটা কি বুজতে পারছিনা। নিজে পদত্যাগ করলেন।ওনার বাবা তাজউদ্দীন আহমেদও বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। তার চাচা আফসার উদ্দিনও শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছিলেন। ওনার মা জোহরা তাজউদ্দীনও গণফোরামের যাই যাই করছিলেন। এবং শারমিন আহমেদও বঙ্গবন্ধুকে বিতর্কিত করে বই লিখেছেন। সিমিন হোসেন রিমি এমপিও প্রথম আলোতে এই রকম অনেক কলাম লিখেছেন।
![]()
![]()
অথচ বঙ্গবন্ধু কন্যা ওনাদেরকে সবসময়ও সম্মান করে যাচ্ছেন।
(আমার লিখাটা দয়াকরে পুরোটা পড়ুন, বুঝুন তারপর মন্তব্য করুন দয়াকরে না বুঝে বাজে মন্তব্য করবেননা )। -বাংলা ইনসাইডার
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()






