আলোচিত সেই গাড়ি নির্মাতাকে শামীম ওসমানের ছেলের আর্থিক সহযোগিতা
বিয়ানীবাজার বার্তা ডেস্ক
প্রকাশিত হয়েছে : ১৪ জুন ২০১৯, ৭:১০ অপরাহ্ণনারায়ণগঞ্জ: হাজার গাড়ির মাঝে একটি গাড়ি। আকার আয়তনে অত্যন্ত ছোট। সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম এ গাড়িটি যখন শহর দাপিয়ে বেড়ায়, তখন হাজারো উৎসুক মানুষ গাড়িটির দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে।
সবাই গাড়িটিকে ছুটে চলতে দেখে হাত নেড়ে স্বাগত জানায়। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এ গাড়িটি শহরে হয়ে ওঠে অত্যন্ত জনপ্রিয়।
![]()
![]()
ইতালির বিখ্যাত গাড়ি প্রতিষ্ঠান ল্যাম্বোরগিনির আদলে এ গাড়ি তৈরী করেছেন ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকার আকাশ আহমেদ। প্রতিদিন অন্তত একবার হলেও গাড়িটি নিয়ে রাস্তায় নামে আকাশ। গাড়িটির ভিতর অসাধারণ সাউন্ড সিস্টেমের কারণে দূর থেকে বোঝা যায় যে, সেই আনকমন গাড়িটি আসছে। তখন রাস্তার পাড়ে হাজার উৎসুক মানুষ ভিড় জমায় গাড়িটি দেখার জন্য। সম্প্রতি গাড়িটি নিয়ে শহরময় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সবাই প্রশংসা করছেন এ গাড়ি ও গাড়ির মালিকের।
![]()
![]()
এদিকে আকাশের প্রশংসনীয় এই কাজে অনুপ্রেরণা দিতে আর্থিক সহযোগিতা করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একে এম শামীম ওসমানের পুত্র অয়ন ওসমান। বৃহস্পতিবার রাতে ফতুল্লা থানা ছাত্রলীগ নেতা শাহরিয়া রেজা হিমেলের মাধ্যমে অয়ন ওসমানের এক লক্ষ টাকা আকাশ আহমেদের হাতে তুলে দেন। এ সময় অয়ন ওসমান গাড়িতে বসে ছবি তোলেন। যা তিনি নিজ ফেসবুক আইডি থেকে পোষ্ট করেন। ছবির ক্যাপশনে তিনি লিখেন, ‘জোস’।
![]()
![]()
শাহরিয়া রেজা হিমেল জানান, আকাশের কাজে আরও উৎসাহ যোগাতে সাংসদ পুত্র অয়ন ওসমান আর্থিক সহযোগিতা করেছেন। আর এই অর্থ দিয়ে আকাশ তার মেধাকে আরো বিকশিত করার সুযোগ পাবে।
![]()
![]()
আকাশ জানিয়েছেন, অয়ন ওসমানের অর্থ পেয়ে আনন্দিত তিনি। অয়ন ওসমানের এই অর্থ দিয়ে নিজের কর্মদক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে দেশের জন্য কিছু করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।
![]()
![]()
উল্লেখ্য, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের পাশে অবস্থিত অটোরিকশা ওয়ার্কশপে তৈরি হয়েছে (ল্যাম্বোরগিনি) এর আদলে একটি গাড়ি। এ গাড়িটি ঘণ্টায় ৪৫ কিলোমিটার বেগে প্রায় ১০ ঘণ্টা পাড়ি দিতে সক্ষম। আর এটি তৈরি করেছেন নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লার লামাপাড়া এলাকার আকাশ আহমেদ। গাড়ির ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করার পরই ভাইরাল হয়।
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()






