চুনারুঘাটে গিলানী চা বাগানের নৈশ প্রহরী খুন
বিয়ানীবাজার বার্তা ডেস্ক
প্রকাশিত হয়েছে : 21 June 2019, 6:30 PMহবিগঞ্জ: হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে উপজেলার গিলানী চা বাগানের নৈশ প্রহরী অমর তাঁতী (৫০) নামে একজনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত অমর তাঁতী গিলানী চা বাগানের নতুন টিলা এলাকার লক্ষণ তাঁতীর ছেলে।
বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাত আনুমানিক ১১টায় এ ঘটনা ঘটে। রাত ১ টার দিকে চুনারুঘাট থানার পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
শুক্রবার (২১ জুন) বেলা ১২টার দিকে লাশের ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করে পুলিশ।
![]()
![]()
নিহতের স্ত্রী পুষ্প তন্তবায় জানান, প্রতিদিনের ন্যায় রাত নয়টায় ওই চা বাগানের ২৬ নম্বর সেকশনে নৈশ প্রহরীর দায়িত্ব পালনে যান তার স্বামী। রাত সাড়ে ১১টার দিকে পুষ্পর ভাই রাজন তন্তবায়কে ফোন করে অমর ডিউটিতে গেছে কি না জানতে চায় একই কাজে নিয়োজিত থাকা কবির। কিছুক্ষণ পরে অমরের বাড়িতে এসে অমরকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়ে দ্রুত চলে যায়। ওই সময় কবিরকে অনেক ডাকাডাকি করলেও সে ফিরে তাঁকায়নি। এই খবর পেয়ে আমরা ওই স্থানে গিয়ে খোঁজাখুজির করে বাগানের নম্বরের রাস্তার পাশে পড়ে থাকা অমরের লাশ দেখতে পাই।
![]()
![]()
পুলিশ জানায়, অমর তাঁতীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। লাশ উদ্ধার করে শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজমিরুজ্জামান বলেন, নিহত অমর তাঁতী প্রচুর পরিমাণে মদ পান করতেন। ধারণা করা হচ্ছে কয়েকজন মিলে মদ পান করার পর কোন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে সমস্যা দেখা দেয়। এ সময় সাথে থাকা অন্যরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে চলে যায়।
![]()
![]()
এদিকে এই ঘটনার পর থেকে অমরের দুই সহকর্মী উপজেলার হলহলিয়া গাজীপুর গ্রামের মৃত এখলাছ মিয়ার পুত্র জামাল মিয়া (৩৫) ও একই গ্রামের মরম আলীর পুত্র কবির মিয়া (৩২) নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে। এই ঘটনায় আজ (২১জুন) বাগানের শ্রমিকরা কর্মবিরতি পালন করে।
গিলানী বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি অমল ভৌমিক বলেন, অমরের খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে শ্রমিকরা।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অমর তাঁতীর পুত্র প্রদীপ তাঁতী মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
![]()







