Tuesday, 3 August, 2021 খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |




নির্বাচনী ইশতেহারে সিলেট-৩ আসনে নৌকার প্রার্থী হাবিবের একগুচ্ছ পরিকল্পনা

কল্যাণ, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের মাধ্যমে

নান্দনিক এলাকা গড়তে বদ্ধপরিকর

———— হাবিবুর রহমান হাবিব

# সুরমা নদীতে হবে আরো দু’টি ব্রিজ
# ইপিজেড ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক নির্মাণ
# হাকালুকি হাওরপাড়ে পর্যটন কেন্দ্র
# স্টেডিয়াম ও পাবলিক লাইব্রেরি
# সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগে স্থানীয়দের অগ্রাধিকার

সিলেট: সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচন আগামী ২৮ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে। দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ উপজেলার ২১টি ইউনিয়নের ১৪৯টি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ করবে নির্বাচন কমিশন। এ আসনের মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লক্ষ ৪৯ হাজার ৮শ’ ৭৩। আওয়ামী লীগ দলীয় স্থানীয় সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করায় এ আসটি শূন্য হয়।

সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনকে সামনে রেখে গতকাল রোববার বেলা দু’টায় নগরীর একটি অভিজাত হোটেলের হলরুমে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরি কমিটির সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মো. নাসির উদ্দিন খানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ। এ সময় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

নান্দনিক সিলেট-৩ আসন গঠনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, উন্নয়ন রাজনীতির এ সময়ে সিলেট-৩ আসনের উপনির্বাচনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমার দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নের একটি রূপরেখা এখানে উপস্থাপন করেছি। আল্লাহর হুকুম এবং আপনাদের আস্থা ও সহযোগিতার মাধ্যমে বিজয়ী হলে মানুষের কল্যাণ, সম্প্রীতি ও সার্বিক উন্নয়ন এবং প্রয়াত সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ কয়েসের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্নের মাধ্যমে নান্দনিক সিলেট-৩ আসন উপহার দিতে আমি বদ্ধপরিকর।

তিনি বলেন, ক্ষণস্থায়ী জীবনকে ভোগে নয়, ত্যাগ ও সেবার মাধ্যমে অমরত্ব লাভ করতে চাই। এজন্য মাটি ও নাড়ির টানে প্রবাস থেকে বারবার ফিরে এসে সম্পূর্র্ণ মোহমুক্ত থেকে আপনাদের কল্যাণে কাজ করেছি। সেই তাগিদ থেকেই মূলত নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। এ যাত্রায় আপনাদের অকৃত্রিম ভালোবাসাই হবে আমার সফলতার অবলম্বন। এই অবলম্বন আমি আমৃত্যু ধরে রাখবো।

নৌকার প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব আরো বলেন, সকল ভোটার কিন্তু রাজনীতি করে না। আবার সবাই আওয়ামী লীগকেই সমর্থন করবে-এমনটিও নয়। তবে, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে দলীয় সংকীর্ণতাকে পরিহার করাই উত্তম। এজন্য আগামী ২৮ জুলাই উপনির্বাচনে দলমতের উর্ধ্বে উঠে উন্নয়নের স্বার্থে সবাইকে নৌকা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আমার রাজনীতি হবে সম্প্রীতি, কল্যাণ ও মানুষের জীবন মান উন্নয়নের। তিনি নির্বাচিত হলে এ আসনের উন্নয়নে সুষম নীতি অবলম্বনেরও অঙ্গীকার করেন।

হাবিবুর রহমান হাবিব নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার শুরুতেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং দলীয় প্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সাথে জাতীয় চারনেতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ উৎসর্গকারীসহ সকল শহীদদের তিনি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

নির্বাচনী ইশতেহারে হাবিবুর রহমান হাবিব উল্লেখ করেন, তিনি নির্বাচিত হলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে একটি ইপিজেড প্রতিষ্ঠা ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক নির্মাণ করা হবে। সুরমা নদীর ওপর আরো দু’টি ব্রিজ এবং হাকালুকি হাওরপাড়ে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলবেন। পাশাপাশি ক্রীড়ামুখী এবং ভালো মানের খেলোয়ার তৈরির লক্ষে তিন উপজেলায় একটি করে স্টেডিয়াম নির্মাণ, শিশুদের বিনোদন ব্যবস্থা নিশ্চিতের পাশাপাশি বয়স্কদের জন্য পার্ক স্থাপন, তিন উপজেলায় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গড়ে তুলবেন। এছাড়া, প্রতি ইউনিয়নে সম্ভব না হলেও প্রত্যেক উপজেলায় একটি করে পাবলিক লাইব্রেরি, প্রতি উপজেলায় একটি করে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করবেন। এজন্য তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের সর্বাত্মক সাহায্য ও সহযোগিতা কামনা করেন।

ইশতেহার ঘোষণা শেষে গণমাধ্যম কর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, নির্বাচন কমিশন নিশ্চয়তা দিয়েছে- ভোটারদের সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে তারা ইভিএম এর মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করবে। এজন্য এ নিয়ে দুঃশ্চিন্তার কোন কারণ নেই। তিনি বলেন, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট লুৎফুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নাসির উদ্দিন খানের নেতৃত্বে সিলেট-৩ আসনের আওয়ামী লীগ পরিবার খুবই ঐক্যবদ্ধ। নমিনেশন জমার দেয়ার পর থেকেই আজোবধি সংশ্লিষ্ট ৩ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্ব তৃণমূল নেতাকর্মীরা নৌকার বিজয়ে নিরলসভাবে কাজ করছেন। এজন্য নৌকার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

সাংবাদিকের অপর এক প্রশ্নের জবাবে নৌকার প্রার্থী হাবিব বলেন, লন্ডনের টেমস নদীর ওপর অসংখ্য ব্রিজ থাকলেও নদীর কোন সমস্যা হচ্ছেনা। এভাবে সুরমা নদীর ওপর আরো দু’টি দৃষ্টিনন্দন ব্রিজ নির্মাণ করলেও নদীর নাব্যতাসহ কোনধরণের সমস্যা হবে না। এজন্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শমতে আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত কারিগরি সহযোগিতা নেয়া হবে। তিনি বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে হাকালুকি হাওরপাড়ে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। যাতে সাংবাদিক দম্পতিসহ সাধারণ মানুষ মনোমুগ্ধ পরিবেশে হাওরের দৃশ্য অবলোকন করতে পারেন।

নির্বাচনী ইশতেহার অনুষ্ঠানে শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল বলেন, বঙ্গবন্ধুতনয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা এখন উন্নয়নে মহাসড়কে রয়েছি। বৈশ্বিক করোনাভাইরাস মহামারিসহ যেকোন চ্যালেঞ্জ বর্তমান সরকার অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সফলভাবে মোকাবেলা করছে। তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ যখন করোনা ভ্যাকসিন পায়নি, তখন বাংলাদেশ পেয়েছে। তিনি ব্যক্তি, পরিবার ও দেশের স্বার্থে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।

মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ বলেন, এ মুহূর্তে আমাদের মধ্যে কোন ধরণের ভুল বোঝাবুঝি কিংবা মতানৈক্য দেখতে চাইনা। আমরা আওয়ামী লীগ নিয়ন্ত্রিত এ আসনে আবারও নৌকার বিজয় দেখতে চাই। এজন্য তিনি নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নাসির উদ্দিন খান বলেন, সিলেট-৩ আসনের উন্নয়নের লক্ষ্যে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে নৌকার প্রার্থী হাবিবকে সমর্থন করছেন। এজন্য পুরো নির্বাচনী এলাকায় নৌকার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দলীয় নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধ। আগামী ২৮ জুলাই নৌকা প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য তিনি দলমত নির্বিশেষে সকল ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান।

এদিকে, নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণাকালে মঞ্চে আরো উপস্থিত ছিলেন, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন, সহ সভাপতি আসাদ উদ্দিন আহমদ, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির উদ্দিন আহমদ, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলার আজাদুর রহমান আজাদ, বিধান কুমার সাহা, মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. আরমান আহমদ শিপলু, জেলা আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফারুক আহমদ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক এডভোকেট ছালেহ আহমদ হীরা, উপ দপ্তর সম্পাদক মজির উদ্দিন, উপ প্রচার সম্পাদক মতিউর রহমান মতি, কার্যকরি সদস্য এডভোকেট বদরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, এর আর সেলিম, মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য তাহমিন আহমদ, রাহাত তরফদার, জুমাদিন আহমদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক দেবাংশু দাস মিঠু, জেলা তাঁতীলীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন, বালাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোস্তাকুর রহমান মফুর ও সাধারণ সম্পাদক আনহার মিয়া, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মু্ক্িতযোদ্ধা সাইফুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামীম আহমদ, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শওকত আলী ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাসিত টুটুলসহ তিন উপজেলার অন্তর্গত ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ।

নির্বাচনী ইশতেহারে হাবিবুর রহমান হাবিব সিলেট-৩ আসনের তিনটি উপজেলার প্রধান সমস্যা চিহ্নিত করে তা পর্যায়ক্রমে সমাধান করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। এরমধ্যে দক্ষিণ সুরমা উপজেলার উন্নয়ন কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে- সুরমা নদীর উপর পৃথক স্থানে দু’টি ব্রিজ নির্মাণ, লালাবাজারের ব্রিজ ও মসজিদ, কামালবাজার বাসিয়া নদীর উপর সেতু নির্মাণ, মোগলাবাজারের খালোমুখ বাজারে সেতু, দক্ষিণ সুরমার অংশে সুরমা নদীর তীরে দৃষ্টিনন্দন ওয়াকওয়ে ও দক্ষিণ সুরমার আব্দুুস সামাদ আজাদ চত্বর (চন্ডিপুল) থেকে রেল গেইট পর্যন্ত রাস্তার দু’পাশে বক্স ড্রেন ও পথচারী চলাচলের জন্য ফুটপাত নির্মাণ করা হবে।

একইভাবে, কর্মপরিকল্পনায় ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার উন্নয়ন কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে- ফেঞ্চুগঞ্জে জুড়ি নদীর উপর ব্রিজ নির্মাণ ও কুশিয়ারা নদীর তীরে (ফেঞ্চুগঞ্জ অংশে) দৃষ্টিনন্দন ওয়াকওয়ে নির্মাণ, কটালপুর ব্রিজ (আমিরগঞ্জ হইতে উত্তরপাড়া) নির্মাণ, ফেঞ্চুগঞ্জকে পৌরসভায় উন্নীতকরণ, মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।

বালাগঞ্জ উপজেলায় উন্নয়ন কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে- বালাগঞ্জে একটি কৃষি শিল্প ও একটি কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা, বড়ভাগা নদীর উপর ব্রিজ নির্মাণ, দেওয়ানবাজার-সুলতানপুর-খন্দকারবাজার রাস্তায় উজান বড়ভাঙ্গা সেতু নির্মাণ করার মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো সহজতরকরণ, কুশিয়ারা নদীর উপর দৃষ্টিনন্দন ব্রিজ নির্মান করে মৌলভীবাজার রাজনগরের সাথে যোগাযোগ স্থাপন, বালাগঞ্জ বাজার ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার, পূর্ব-পৈলনপুর ইউনিয়নের সাথে বালাগঞ্জ উপজেলা সদরের যোগাযোগ নিশ্চিত করতে কুশিয়ারা ডাইকের বন্ধ হওয়া কাজ চালু করাসহ বালাগঞ্জ সরকারি কলেজে অনার্স কোর্স চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।

এছাড়াও তিনি সিলেট-৩ আসনের আওতাধীন বিভিন্ন খাল ও নদী খনন করে সেচ প্রকল্প, কুশিয়ারা ও সুরমা নদীর ভাঙ্গণ রোধে বিশেষ করে বালাগঞ্জের পূর্ব পৈলনপুর ও পশ্চিম গৌরীপুর বালাগঞ্জ সদর, দক্ষিণ সুরমার কুচাই ও মোল্লারগাঁও ইউনিয়ন, উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ মাইজগাও, উত্তর কুশিয়ারা ইউনিয়নের নদীর তীর সুরক্ষা কল্পে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ, তিন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মসজিদ ও মাদরাসাগুলোর উন্নয়ন কার্যক্রম, মন্দির নির্মাণ ও সংস্কার কার্যক্রমসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য সার্বজনীন শ্মশান নির্মাণ, উপজেলার প্রয়োজনীয় স্কুল-কলেজে একাডেমিক ভবন ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

 

Developed by :