Thursday, 28 May, 2020 খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |




কাদেরকে প্রধানমন্ত্রীর শাসন

ঢাকা: কিছুক্ষণ আগেও ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সেখান থেকে ছাড়পত্র নিয়ে সরাসরি আসলেন নিজ দপ্তর সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে। এরপর হঠাৎ করেই সমসাময়িক বিষয়ে কথা বললেন গণমাধ্যমের সঙ্গে।

আরও দু’দিন আগেই হাসপাতাল ছাড়ার কথা ছিল এবং নির্বাচন নিয়ে ব্রিফ করার কথা থাকলেও কেন করেননি-জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের জানান, আরো দু’দিন আগেই আসতে চেয়েছিলাম। কথা বলতে চেয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রী শাসন করেছেন। বকাই দিয়েছেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী টেলিফোন করে, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার খোঁজ খবর নেয়ার সময় বকা দিয়ে, হাসপাতাল থেকে বের না হওয়ার কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বকা দিতেই পারেন। তিনি শাসন করার অধিকার রাখেন।

এ কারণেই হাসপাতাল ত্যাগ করে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি বলে জানান কাদের।

দুই সিটির মেয়র ও কাউন্সিলর নির্বাচন প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ছুটি থাকায় ভোটাররা বাড়ি চলে যাওয়ায়, এসএসসি পরীক্ষা ও পরিবহন সমস্যার কারণে ভোটের হার কম হয়েছে। তবে সামগ্রিকভাবে একটি ভালো নির্বাচন হয়েছে। বিচ্ছিন্ন দু-একটি ঘটনা ছাড়া বড় কোনো সহিংস ঘটনা ঘটেনি।

এ নির্বাচন থেকে ভবিষ্যতে শিক্ষা নিয়ে কাজ করা হবে বলেও জানান কাদের।

নির্বাচন, ইভিএম, সরকারি দলের ভয়ংকর প্রস্তুতি, বিএনপির ঢাকার বাইরে থেকে লোক জড়ো করাসহ নানা কারণে ভোটারদের আগ্রহ কম ছিল। এ জন্য জনগণের মধ্যে এক ধরনের ভীতি ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপি প্রাপ্ত ভোট নিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, বিএনপি একটি বড় দল, তবে তাদের বর্তমান সাংগঠনিক যে এলোমেলো অবস্থা, সেই তুলনায় বিএনপি নির্বাচনে ভাল করেছে।

তিনি বলেন, ভোটের রাজনীতিতে মানুষের অনীহা গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়।

নিজের দলের প্রসঙ্গে কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের বর্তমান সাংগঠনিক দুর্বলতা আছে। পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। এসব কারণে ভোটের হার কম। এখন ওয়ার্ড পর্যন্ত সংগঠনকে ঢেলে সাজাতে হবে।

তীব্র শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা নিয়ে গত শুক্রবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি হন সেতুমন্ত্রী। সেখান থেকে সকালে নিজ দপ্তরে আসেন কাদের।

 

Developed by :