Friday, 26 February, 2021 খ্রীষ্টাব্দ | ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |




বাসের টিকিট থেকে মিলল ভাসমান মরদেহের পরিচয়

বার্তা ডেস্ক: কুড়িগ্রাম জেলা শহর লাগোয়া ধরলা সেতু’র পূর্ব পাড়ের গাইড বাঁধের পাশে পানিতে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধারকৃত মরদেহের পরিচয় মিলেছে। মরদেহের সাথে থাকা ব্যাগ থেকে পাওয়া বাসের টিকিটের সূত্র ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রয়োগ করে ওই যুবকের নাম রাজু হোসেন (২৫) ওরফে অন্তর বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ।

তবে রাজু হোসেনের মৃত্যুর কারণ এবং কিভাবে ধরলা সেতুর পাশে তার মরদেহ আসলো তা এখনও রহস্যে ঘেরা। তবে মরদেহের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এর আগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি সকালে রাজু হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে সদর থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, মৃত রাজু হোসেনের বাবা আশরাফ হোসেন রোববার (২১ ফেব্রুয়ারি) চুয়াডাঙ্গা থেকে কুড়িগ্রামে এসে ছেলে মরদেহ শনাক্ত করেন। এছাড়া তিনি বাদী হয়ে সদর থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করেছেন।

এছাড়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাজু হোসেনের মরদেহের ময়নাতদন্ত করার পর তার মরদেহ বাবা আশরাফ হোসেনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার এসআই মো. আব্দুল কাইয়ুম।

তিনি জানান, রাজু হোসেনের বাবার নাম আশরাফ হোসেন এবং মাতার নাম মুসলিমা বেগম। তারা চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুরহুদা থানার জুরানপুর গ্রামের অধিবাসী। তাদের দুই ছেলের মধ্যে রাজু হোসেন এইচএসসি পাস করার পর ঢাকায় অনলাইনে অর্ডার নিয়ে মালামাল সরবরাহের ব্যবসা করত।

তিনি আরো জানান, প্রাথমিকভাবে তারা জানতে পেরেছেন ফেসবুকের মাধ্যমে রাজু হোসেনের সাথে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার অধিবাসী এক মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ওই মেয়ের বিয়ে হয়েছে এমন খবর পেয়ে রাজু এখানে এসেছিল। তারপরের ঘটনা উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. আনোয়ারুল ইসলাম জানান, জিন্সের প্যান্ট ও জ্যাকেট পরিহিত মৃত রাজু হোসেনের সাথে থাকা ব্যাগের ভিতরে মি. অন্তর নাম লেখা একটি বাসের টিকিট পাওয়া যায়। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ইস্যুকৃত টিকিটটি কুমিল্লা থেকে কুড়িগ্রাম আসা সারদা ট্রাভেলসের। টিকিটে একটি মোবাইল নম্বর ছিল। তারই সূত্র ধরে তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে মৃত যুবকের পরিচয় উদঘাটন করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ খান মো. শাহরিয়ার জানান, পুরো ঘটনা উদঘাটনে জোর তদন্ত অব্যাহত আছে।

 




সর্বশেষ সংবাদ

Developed by :