Saturday, 23 January, 2021 খ্রীষ্টাব্দ | ১০ মাঘ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |




এমসি কলেজে গণধর্ষণ: চার্জশিট গ্রহণ করেছেন আদালত

সিলেট: এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে নববধুূকে গণধর্ষণের মামলায় চার্জশিট গ্রহণ করেছেন।

আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) শুনানী শেষে সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোহিতুল হক চৌধুরী চার্জশিট গ্রহণ করেন।

এর আগে গত রোববার চার্জশিট গ্রহণ করতে চাইলে বাদী পক্ষের আইনজীবী চার্জশিট পর্যালোচনার জন্য আদালতের কাছে সময় যান। আদালত তার দাবি মঞ্জুর করলে দীর্ঘ পর্যালোচনার পর আজ বাদী পক্ষের আইনজীবীর কোন আপত্তি না থাকায় আদালত চার্জশিট গ্রহণ করেন।

গত ৩ জানুয়ারি মামলার অভিযোগ গঠনের প্রথম শুনানি শেষে এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। ওই তারিখেও বাদীপক্ষের আইনজীবী অভিযোগপত্র পর্যালোচনায় সময় প্রার্থনা করেছিলেন। কিন্তু এ সময়ের মধ্যে মামলার নথিপত্র বাদীপক্ষ না পাওয়ায় দ্বিতীয় দফায় আবার আবেদন করেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম বলেন, চার্জশিট নিয়ে আমরা বাদী পক্ষের আইনজীবী সন্তুষ্ট পোষণ করলে আদালত তা আমলে নেন। এর আগে চার্জশিট পর্যালোচনার জন্য আমরা দুইবার আদালতের কাছ থেকে সময় চেয়ে নেই।

উল্লেখ্য: গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক তরুণীকে (২০) দল বেঁধে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর স্বামী বাদী হয়ে মহানগর পুলিশের শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং দুজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন। ঘটনার পর আসামিরা পালিয়ে গেলেও তিন দিনের মধ্যে ছয় আসামি ও সন্দেহভাজন দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ ও র‌্যাব। গ্রেফতারের পর তাদের পাঁচ দিন করে রিমান্ডে নেয় পুলিশ।

গত ৩ ডিসেম্বর ছাত্রলীগের আট নেতা-কর্মীকে অভিযুক্ত করে মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা ও মহানগর পুলিশের শাহপরান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য। অভিযোগপত্রে সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল ও মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজনকে দল বেঁধে ধর্ষণের জন্য অভিযুক্ত করা হয়। আসামি রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান ওরফে মাসুমকে ধর্ষণে সহায়তা করার জন্য অভিযুক্ত করা হয়। আট আসামিই বর্তমানে কারাগারে আছেন।

 

Developed by :