Friday, 30 October, 2020 খ্রীষ্টাব্দ | ১৫ কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |




এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ: ছাত্রলীগ নেতা রণি ও রবিউল গ্রেফতার

সিলেট: সিলেটে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে গণধর্ষণ মামলার ৩নং আসামি ছাত্রলীগ নেতা মাহবুবুর রহমান রনি (২৮) ও ৫নং আসামি রবিউল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ নিয়ে এ মামলায় মোট চারজন গ্রেফতার হয়েছেন।

রোববার রাতে শায়েস্তাগঞ্জ থেকে মাহবুবুর রহমান রনিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। রবিউল ইসলামকে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ইনাতগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এদিকে, মামলার ৬ নং আসামী মাহফুজুর রহমান মাসুমকে কানাইঘাট এলাকা থেকে র‍্যাব গ্রেফতার করেছে বলে গুঞ্জন ডালপালা মেলেছে। যদিও র‍্যাব এখনো তা স্বীকার করেনি।

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে গৃহবধূকে গণধর্ষণ মামলার ৫নং আসামি রোববার রাত সাড়ে ৯টায় রবিউল ইসলামকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আলী।

এ মামলায় গ্রেফতার অপর দুইজন হলেন প্রধান আসামি সাইফুর রহমান ও ৪ নম্বর আসামি অর্জুন লস্কর।

রোববার সকাল ৮টার দিকে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা নোয়ারাই খেয়াঘাট থেকে মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মনতলা সীমান্ত এলাকা থেকে জকিগঞ্জের আটগ্রামের কানু লস্করের ছেলে অর্জুন লস্করকে গ্রেফতার করেছে সিলেট জেলা পুলিশ।

প্রসঙ্গত গত শুক্রবার এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন এক গৃহবধূ। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বামীর কাছ থেকে ওই গৃহবধূকে জোর করে তুলে নিয়ে ছাত্রাবাসে ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় কলেজের সামনে তার স্বামীকে আটকে রাখে দুজন।

এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে শাহপরান থানায় মামলা করেছেন। মামলা ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত আরও ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার উমেদনগরের রফিকুল ইসলামের ছেলে তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮), হবিগঞ্জ সদরের বাগুনীপাড়ার মো. জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), জকিগঞ্জের আটগ্রামের কানু লস্করের ছেলে অর্জুন লস্কর (২৫), দিরাই উপজেলার বড়নগদীপুর (জগদল) গ্রামের রবিউল ইসলাম (২৫) ও কানাইঘাটের গাছবাড়ি গ্রামের মাহফুজুর রহমান মাসুম (২৫)।

তাদের মধ্যে তারেক ও অর্জুন শিক্ষার্থী না হলেও সবাই এমসি কলেজ ছাত্রলীগের নেতা।

 

Developed by :