Monday, 6 July, 2020 খ্রীষ্টাব্দ | ২২ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |




এসএসসি’তে শমশেরকন্যা নওশীনের গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জন

বার্তা ডেস্ক:  বিয়ানীবাজার পৌরসভার ১নং ওয়ার্ড শ্রীধরা গ্রামের তাহমিদা আক্তার নওশীন মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ (গোল্ডেন) অর্জন করেছে।

সিলেট বিভাগের অন্যতম সেরা ‘ব্লু বার্ড স্কুল এন্ড কলেজ’ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এ কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল করে নওশীন।

প্রত্যাশিত এ ফলাফল অর্জনের পর তাহমিদা জানায়, এ কৃতিত্ব তার একা নয়,  মা-বাবা ও সকল শিক্ষক শিক্ষিকার প্রচেষ্টায় এটা সম্ভব হয়েছে।

জানা যায় , নওশিন ছোটবেলা থেকেই তার মেধার প্রমাণ রেখে আসছে। সে পরপর পিএসসি ও জেএসসি পরীক্ষায়ও জিপিএ-৫ গোল্ডেন পেয়ে উত্তীর্ণ হয় এবং এখানেও সে ১ম গ্রেডে সরকারী বৃত্তি লাভ করে ।

পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে কনিষ্ঠ তাহমিদা আক্তার নওশীন তার বাবার স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করে আগামীতে একজন ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়।

পরিবারের ৫ ভাই বোনের মধ্যে নওশিন সবার ছোট। তার বড় বোন বিয়ানীবাজার কলেজের সর্বপ্রথম জিপিএ-৫ পাওয়া জুবায়দা আক্তার পুনম শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম শ্রেনীতে স্নাতক সম্মান সহ এমএ পাশ করেন । মেজো বোন ইংরেজি বিষয়ে সম্মান শেষ করেছেন । তার অপর বোন মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস চতুর্থ বর্ষে অধ্যয়ন করছেন। নওশীনের একমাত্র বড়ভাই বিশ্ববিদ্যালয়ে ম্যানেজমেন্টে ২য় বর্ষের ছাত্র।

একমাত্র নওশীন ছাড়া সকলেই শ্রীধরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন।

নওশীনের পিতা শমশের আলম এবং মা মমতাজ বেগম সন্তানদের শিক্ষার প্রতি কঠোর মনোযোগী ছিলেন।

নওশীনের বাবা শমশের আলম ও মা মমতাজ বেগমের সাথে এ প্রতিবেদকের কথা হয় । মেয়ের এ কৃতিত্বে তারা খুশি । নওশীনের মা জানান, বাচ্চাদের সাথে পরিশ্রম করলে সকল মা-বাবা এমন সফলতা পাবেন; তাতে কোন সন্দেহ নেই ।

অভিবাবক দম্পতি সকল শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার প্রতি উৎসাহ ও শ্রম দেয়ার জন্য এলাকার সকল অভিভাবকদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান ।

কৃতি এ দম্পতি সিলেট শহরের আজাদী, মীরবক্সটুলায় বাস করেন । তাদের জীবনের শেষ ইচ্ছা জানতে চাইলে তারা জানান, সন্তানের পড়াশোনা শেষ হলে তারা নিজ গ্রাম শ্রীধরায় চলে আসবেন । এখানেই তারা শেষ জীবন কাটাতে চান।

 

Developed by :