Sunday, 31 May, 2020 খ্রীষ্টাব্দ | ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |




বিয়ানীবাজারের প্রথম করোনা রোগী আকবর পুরোপুরি সুস্থ

বিয়ানীবাজার: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে চিকিৎসা গ্রহণ শেষে সুস্থ হয়ে উঠেছেন বিয়ানীবাজারের প্রথম করোনা রোগী আকবর হোসেন।

বুধবার (১৩ মে) বিকালে শামসুদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে উঠলে আকবর হোসেনকে ছাড়পত্র দেওয়া হলে তিনি বিকালে বিয়ানীবাজারে ফেরত আসেন। বুধবার রাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ আবু ইসহাক আজাদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত সোমবার সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন আকবর হোসেনের সংস্পর্শে থাকা বিয়ানীবাজার উপজেলার দ্বিতীয় করোনা রোগী আলম হোসেন।

জানা গেছে, গত ২৪ এপ্রিল বিয়ানীবাজারের প্রথম করোনা পজেটিভ শনাক্ত হওয়া আকবর হোসেন বিয়ানীবাজার পৌরশহরের টাঙ্গাইল মুসলিম জুয়েলার্সের কারিগর। সে পৌরশহরের নয়াগ্রাম এলাকার মৃত ছয়ফুল ইসলামের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছেন। আকবর হোসেন গত ১৮ এপ্রিল সে টাঙ্গাইল থেকে গাজীপুর হয়ে বিয়ানীবাজারে ফিরে আসে। পরে ২১ এপ্রিল তার শরীরে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ থাকায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি বিশেষ টিম তার নমুনা সংগ্রহ করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থাপিত বিশেষায়িত ল্যাবে প্রেরণ করেন। ২৪ এপ্রিল সকালে তার পজেটিভ রিপোর্ট আসলে তাকে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হয়। অবশেষে বুধবার (১৩ মে) চিকিৎসাধীন অবস্থায় দ্বিতীয় দফায় তার করোনা পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ আসলে তাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, বিয়ানীবাজারের শেষ তিনজন কোভিড-১৯ আক্রান্ত পৌর এলাকার নয়াগ্রামের তাসলিমা আক্তার, মোল্লাপুরের সাইদুল ইসলাম ও কসবা গ্রামের নাসির আহমদও সুস্থ হওয়ার পথে। শনাক্তের সাতদিনের মাথায় তাদের প্রথম নমুনা পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ এসেছে বলে জানিয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমেপ্লেক্স। বর্তমানে তাদের শরীরে করোনা ভাইরাসের কোন উপর্সগ দেখা দেয়নি। দ্বিতীয় নমুনার ফলাফল নেগেটিভ আসলে তারা করোনামুক্ত বলে গণ্য হবেন।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী বিয়ানীবাজার থেকে করোনা সন্দেহে ১২০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তন্মধ্যে ৯২টি ফলাফলে ৫টি করোনা পজিটিভ ও ৮৭টি নেগেটিভ আসে এবং অপেক্ষমান রয়েছে ২৮টি ফলাফল। এর আগে দ্বিতীয় করোনা রোগী আলম হোসেন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

 

Developed by :