Wednesday, 1 December, 2021 খ্রীষ্টাব্দ | ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ |




দেশ ছেড়ে চলে যাবেন ডেইজি

ঢাকা: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের আলোচিত কাউন্সিলর প্রার্থী ছিলেন আলেয়া সারোয়ার ডেইজী। নির্বাচনে ব্যতিক্রমী প্রচার প্রচারণার কারণে দেশজুড়েই পরিচিতি পেয়েছিলেন ডেইজি। সোশ্যাল মিডিয়ায়ও ছিলেন ব্যাপক আলোচিত। তবে শনিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে হেরে যেতে হয় ডেইজিকে।

পরাজয়ের পর দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই নারী নেত্রী। সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, পরিবারকে সময় দেবেন। এজন্য আগামী এপ্রিলে নিউইর্য়কে পরিবারের কাছে চলে যেতে পারেন।

রোববার এ কথা জানান ডেইজী। তিনি বলেন, ‌নির্বাচনে হেরে গেলেও আমি জনগণের ভালোবাসা অর্জন করতে পেরেছি। আমি ভালোবেসেছি আমার নেত্রী শেখ হাসিনাকে, ভালোবেসেছি জনগণকে। বিজয়ী হয়ে জনগণের জন্যই কাজ করতে চেয়েছিলাম।’

৩১ নম্বর ওয়ার্ডে ৬ হাজার ৩১ ভোট পেয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় পার্টি (জাপা) সমর্থিত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম সেন্টু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ডেইজী সারোয়ার পেয়েছেন ২ হাজার ৯১ ভোট। আলেয়া সারোয়ার ডেইজী যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি। এর আগে তিনি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। এই ওয়ার্ডে গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ইমতিয়াজ খানকে হারিয়ে জয়লাভ করেন সফিকুল ইসলাম সেন্টু।

ডেইজী বলেন, ‌পরাজিত হয়ে আমি দুঃখ পাইনি। আমার দুঃখ আমি আওয়ামী লীগকে এই আসনটি দিতে পারিনি। আমি জনগণের ভালোবাসা অর্জন করতে পেরেছি। আমি আমার নেত্রী শেখ হাসিনার হয়ে জনগণের জন্য কাজ করেছি, আগামীতেও করতে চেয়েছিলাম। আমার সেই ইচ্ছা ছিল, শক্তি ছিলো।’

তিনি আরও বলেন, ‌ভোটের দিনে আমার প্রতিদ্বন্দ্বীর পক্ষ থেকে আমার ওপরে যে আচরণ করা হয়েছে সেটা মোটেও শোভনীয় ছিল না। জয়ের জন্য আমার চেষ্টা ছিলো। কিন্তু এই নোংরা মানুষগুলোর কাছে আমি হেরে গেছি।’

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের মার্চে ঢাকা সিটিতে ডেইজীর মশকনিধনের একটি ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ডিএনসিসির ফেসবুক পেজে ওই ভিডিও ও ছবি পোস্ট করে লেখা হয় প্যানেল মেয়র আলেয়া সারোয়ার ডেইজীর নেতৃত্বে এয়ারপোর্ট এলাকায় মশা নিধনের ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। ভিডিওতে দেখা যায়, একটি গাড়ির উপরে দাঁড়িয়ে আছেন ডেইজী। দু’পাশে দাঁড়িয়ে মশা মারার ফগার মেশিন দিয়ে স্প্রে করছেন দুই কর্মী। ভিডিওটি ওই সময়ে বেশ আলোচিত-সমালোচিত হয়।

 




 

Developed by :