Tuesday, 11 August, 2020 খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ শ্রাবণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ |




আতাউর খানকে রুখে এ সাধ্য কার? *সামাদ আহমেদ*

সামাদ আহমেদ

“আমি যে এসেছি জয় বাংলার বজ্রকণ্ঠ থেকে আমি যে এসেছি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ থেকে। এসেছি আমার পেছনে হাজার চরণচিহ্ন ফেলে শুধাও আমাকে ‘এতদূর তুমি কোন প্রেরণায় এলে ?” উপরের কবিতার পঙক্তি কবি শামসুল হকের।আশ্চর্যজনক জনক হলেও সত্যি, আমাদের সামনেই কবিতার লাইনগুলার মতো এমন একজন মানুষ উদাহরণ হিসেবে আছেন।যে জয় বাংলা শ্লোগানের বজ্রকন্ঠ বুকে নিয়ে একাত্তরে প্রাণ বাজী রেখে যুদ্ধ করছেন। রূপসা নদীর বুক, সুন্দরবনে ঘেরা খুলনার উত্তাল রাজপথে তিনি তার হাজার হাজার চরণচিহ্ন ফেলে, কাজী নজরুলের বিদ্রোহী বেশে চির-উন্নত শিরে ফিরে এসেছিলেন মা, মাটির কাছে।

আতাউর রহমান খান ফিরে এসেছিলেন ক্ষুদে নবদ্বীপের বুকে, শ্রী চৈতন দেব, রঘুনাথ শিরমনী, জি সি চন্দ্র দেবের স্মৃতি ধন্য বিয়ানীবাজারে। জন্ম মাটিতে ঝড়েরবেগে মানুষের জন্য তিনি কাজে ঝাপিয়ে পড়েন।শত ষড়যন্ত্র, বাদা পেরিয়ে তিনি এগিয়ে গেছেন।হাজার হাজার মানুষের ভালবাসায় তিনি যেমন সিক্ত হয়েছেন, তেমনি বারবার জর্জরিত হয়েছেন নিন্দুকের রটনায়।তাকে রুখে এ সাধ্য কার? পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের- কখনোই ভয় করিনাকো আমি উদ্যত কোনো খড়গের। কবিতার ছন্দের মতো এগিয়ে গেছেন হাসি মুখে।

ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, এবার সব ষড়যন্ত্রের মুখে কালি দিয়ে তিনি অধিষ্ঠিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির আসনে।বারবার তিনি প্রমাণ করেছেন আহত বাঘ, সুস্থ বাঘের চাইতে বেশি সাহসী।

তিনি যেন সব্যসাচী কবির এই লাইনগুলো পড়েপড়ে জীবন পাড়ি দিয়েছেন; “শত্রুর সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস; অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ; একই হাসিমুখে বাজায়েছি বাঁশি, গলায় পরেছি ফাঁস; আপোষ করিনি কখনোই আমি- এই হ’লো ইতিহাস।”

আতাউর রহমান খান এক আপোষহীন নাম।আরো একটি বিজয়ে অভিবাদন জানিয়ে কবিতার লাইন দিয়ে শেষ করছি; এনেছিলে সাথে করে মৃত্যুহীন প্রাণ…।’

লেখক: সাবেক ছাত্র নেতা। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী অনলাইন এক্টিভিস্ট।

 




সর্বশেষ সংবাদ

Developed by :