Tuesday, 12 November, 2019 খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |




ঢাকায় পৌঁছেছে খোকার মরদেহ

সাদেক হোসেন খোকার কফিন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু গ্রহণ করেছেন। অন্যদের মধ্যে বিমানবন্দরের সামনে উপস্থিত হন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আতাউর রহমান খায়রুল কবির খোকন, ফজলুল হক মিলন, ইমরান সাহলে প্রিন্স, এনামুল হক, কামরুজ্জামান রতন, শামীমুর রহমান শামীম, এস এম জাহাঙ্গীর, মীর সরাফত আলী সফু, ফিরোজ আহমেদ, মকবুল আহমেদ টিপু, মেজর কামরুল, আব্দুল আলি।

এর আগে বাংলাদেশ সময় বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এমিরেটস এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে খোকার মরদেহ নিয়ে নিউইয়র্ক থেকে দেশের উদ্দেশে রওনা দেন তার স্বজনরা।

আজ বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সাদেক হোসেন খোকার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে মরদেহ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হবে। এরপর বাদ জোহর নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

khuka-1

বিকেল ৩টায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে জানাজা হবে। সেখান থেকে গোপীবাগে মরহুমের নিজস্ব বাসভবনে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে। বাদ আসর তার মরদেহ ধূপখোলা মাঠে নেয়া হবে। সেখানে শেষ জানাজা হবে। জানাজা শেষে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী জুরাইন কবরস্থানে মায়ের কবরেই শায়িত করা হবে সাদেক হোসেন খোকাকে।

সাদেক হোসেন খোকা দীর্ঘদিন ধরেই কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। পরে তিনি ক্যানসারে আক্রান্ত হন। গত ২৮ অক্টোবর শারীরিক অবস্থার অবনতির পরই তাকে নিউইয়র্কে ম্যানহাটনে স্লোয়ান ক্যাটারিং ক্যানসার সেন্টারে ভর্তি করা হয়।এ

নিউইয়র্কে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাংলাদেশ সময় সোমবার দুপুর১টায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।

সাবেক মন্ত্রী সাদেক হোসেন খোকা ২০১৪ সালের মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। তারপর থেকে সেখানেই অবস্থান করছিলেন বিএনপির এই প্রভাবশালী নেতা।

 

Developed by :