Monday, 18 November, 2019 খ্রীষ্টাব্দ | ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |




সিলেট বিমানবন্দরে কর্মকর্তা ও যাত্রীদের মধ্যে কথাকাটি, সহকারী স্টেশন ম্যানেজার আহত

সিলেট: সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সকাল ১১টায় বিমানের কর্মকর্তা ও যাত্রীদের মধ্যে কথাকাটির ঘটনা ঘটে। এরপর বিমান যাত্রীর হাত থেকে একটি গ্লাস পড়ে গিয়ে সহকারী স্টেশন ম্যানেজার আনোয়ারুল ইসলামের হাতে রক্তকরণ হয়। এ ঘটনায় যাত্রী শফিকুল ইসলামকে বিমানবন্দর থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করার কিছুক্ষণ পর আবার ছেড়ে দেয়।

জানা যায়- সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সকাল ১১.২০ এ ছিলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ২০২ ফ্লাইট। উক্ত আভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে পুরুষ-মহিলা সহ ১৭ জন যাত্রী সকাল সাড়ে দশটা থেকে দশটা পঞ্চান্ন মিনিটের এর মধ্যে বিমানবন্দর বিমান এয়ারলাইন্সের কাউন্টারে আসেন। তখন কাউন্টারে কেউ ছিলনা। সকাল ১১টায় বিমানের একজন কর্মকর্তা কাউন্টারে এসে যাত্রীদের বলেন যে বোডিং বন্ধ হয়ে গেছে। যাত্রীরা কারণ জানতে চাইলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে না পারায় যাত্রীরা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে ঘটনাটি অবহিত করার মত প্রকাশ করেন। চলে যান সিলেট বিমানবন্দরের বিমানের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার আনোয়ারুল ইসলামের কাছে। তার সাথে শুরু হয় ১৭ জন যাত্রীর কথা কাটাকাটি এবং বিরাট হট্টগোল. এক পর্যায়ে একজন যাত্রী শফিকুল ইসলাম জগলু যার আজ দুপুর ২টায় ঢাকা হাইকোর্টে হাজিরা দেয়ার কথা। অনুপস্থিত হলে ওয়ারেন্ট ইস্যু হতে পারে। তিনি অনেক কাকুতি-মিনতি করে ব্যর্থ হওয়ার পর কাউন্টারে রাখা একটি নেমপ্লেটে লেখা নিয়মকানুন দেখাতে গিয়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে তা গ্লাসে পড়ে গিয়ে গ্লাস ভেঙ্গে একটি কাঁচে সহকারী জেনারেল ম্যানেজার এর হাতের মধ্যে লেগে রক্ত ঝরা শুরু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদী শফিকুল ইসলামকে নিয়ে যাওয়া হয় জেনারেল ম্যানেজার এর রুমে। ডাকা হয় বিমানবন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ সহকারী স্টেশন ম্যানেজার আনোয়ারুল ইসলামের অভিযোগের প্রেক্ষিতে শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করাহয়। করে কিছুক্ষণ পর ছেড়ে দেয়া হয়।

এসময় বিমানবন্দরে রোটাপ্লাস্ট মিশন শেষে বিদেশী চিকিৎসক দল উক্ত ঘটনা দেখেন। যা খুবই লজ্জাজনক।

বিমানবন্দরের ম্যানেজার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি মহড়া থাকার কারণে এমনটি হয়েছে।

 

Developed by :