Sunday, 2 October, 2022 খ্রীষ্টাব্দ | ১৭ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |




বিয়ানীবাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১১০-১২৫ টাকায়

বিয়ানীবাজার: মূল্যবৃদ্ধি এবং উৎপাদন সঙ্কট দেখিয়ে বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারত সরকার। এ কারণে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা পর থেকেই পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি ও বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছেন বিয়ানীবাজার পৌরশহরের খোলাবাজারের ব্যবসায়ীরা। সোমবার পৌরশহরে কেজিপ্রতি পিয়াজ ১১০-১২৫ টাকা বিক্রি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, প্রতি বছরের মতো এবারও মূল্যবৃদ্ধি এবং উৎপাদন সঙ্কটের কারণে পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারত। রোববার বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টার দিকে এ খবর বিয়ানীবাজারসহ সিলেটের বাজারে আসে।

রোববার বিকাল ৩টার দিকে বিয়ানীবাজার পৌরশহরের খোলাবাজারে প্রতিকেজি পেঁয়াজ ৬০-৬৫ টাকায় বিক্রি হলেও বিকাল ৪টা থেকে মাত্র ১ ঘন্টার ব্যবধানেই সাড়ে ৪টার দিকে ৯০-১০০ টাকায় বিক্রি শুরু হয়। সন্ধ্যার পর তা বেড়ে প্রতিকেজি পেঁয়াজের দর ১০০-১২০ টাকায় পৌছায়। তাছাড়া উপজেলার অন্যান্য বেশকটি বাজারের মধ্যে দাসউরা, বারইগ্রাম, বৈররাগীবাজার, ঈদগাহ বাজার, দুবাগ বাজার, চারখাই বাজারের ব্যবসায়ীদের সাথে যোগাযোগ করে জানা যায় প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০-১০০ টাকা দরে। তবে স্থানীয় বাজারগুলোর মধ্যে কোথাও কোথাও প্রতিকেজি পেঁয়াজ ১১০ টাকা দরেও বিক্রি করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্ত্বেও অনেক ব্যবসায়ী আরো দাম বাড়ার আশায় বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছেন বলে জানা গেছে। উপজেলার হাটবাজারগুলোর ভূষিমালের দোকানগুলোতে পেঁয়াজের সংকট দেখা দিয়েছে। তাছাড়া হঠাৎ করে পেঁয়াজের দাম দ্বিগুণ বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন পাইকার ও সাধারণ ক্রেতারা।

এদিকে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের বিষয়ে রোববার ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফরেইন ট্রেড (ডিজিএফটি)’এর পক্ষ থেকে এক বিবৃতি জারি করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আজ থেকে সমস্ত ধরনের (টাটকা ও হিমায়িত) পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলো। পেঁয়াজের রপ্তানির ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশিকা না আসা পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বজায় থাকবে।’

 

Developed by :