Sunday, 20 October, 2019 খ্রীষ্টাব্দ | ৫ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |




তিনি মানুষের মন জয় করেছেন : সাবেক মন্ত্রী নাহিদ

দুর্নীতির বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার এ্যাকশনে বিএনপির মন খারাপ : সেতুমন্ত্রী

সম্মান জানিয়ে শোকসভায় দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করা হচ্ছে  

আ ন ম শফিকুল হকের স্মরণসভায় সেতুমন্ত্রী 

দুর্নীতির বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার এ্যাকশনে বিএনপির মন খারাপ

তিনি রাজনীতির মাধ্যমে মানুষের মন জয় করেছেন : নাহিদ

লুটেরা আ’লীগের আর নেতা হতে পারবে না: আহমদ হোসেন

অনুপ্রবেশকারিরা দলেদ বদনাম ডেকে আনছে: মিসবাহ সিরাজ

ছাদেক আহমদ আজাদ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, যেখানে টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ, মাদকব্যবসায়ী সেখানেই হবে শুদ্ধি অভিযান। সারাদেশের মানুষ যখন এ অভিযানে শেখ হাসিনার প্রশংসা করছে, তখন বিএনপি ও তাদের দোসররা সহ্য করতে না পেরে বিষোদগারে ব্যস্ত রয়েছে। তিনি বলেন, বিএনপি একটি দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসী দল। তারা লুটপাট, জুয়া ও ক্যাসিনো সৃষ্টি করেছে। এজন্য শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযানে তারা বেসামাল হয়ে গেছে, যেকোন সময় দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। তিনি বলেন, যতোদিন মানুষের মনে আওয়ামী লীগকে পরিপূর্ণভাবে উজ্জ্বল করতে না পারবো, ততোদিন পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত সদ্যপ্রয়াত আ ন ম শফিকুল হক স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযানে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা এবং গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেড়েছে উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনার এই এ্যাকশন শুধু ঢাকায় নয়; সুনামগঞ্জ থেকে সুন্দরবন, কুতুবদিয়া থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত হবে। সিলেটে বিএনপি মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ‘আ’লীগ ক্ষমতায় থাকলে স্বাধীনতা ধ্বংস হয়ে যাবে’ বক্তব্যের রেশ টেনে ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের মানুষ আপনাদের ক্ষমতা থেকে বিতাড়িত করায় তাদের মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। বিএনপি যদি এতদিন ক্ষমতায় থাকতো তাহলে বাংলাদেশ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে যেত। বিপন্ন হত স্বাধীনতা, এটাই বাস্তবতা।

সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট লুৎফুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আ ন ম শফিকুল হক দুঃসময়ের নেতা ছিলেন উল্লেখ করে দলের সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, তিনি পার্টিতে অন্ধকার পথ অতিক্রম করেছেন। ঝড়-বৃষ্টি আঁধার রাতে তিনি ছিলেন অকুতোভয়, আপোসহীন যাত্রী এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শিক ও সত্যিকার অর্থে একনিষ্ঠ সৈনিক। তিনি বলেন, দুঃসময়ের রাজনীতিতে তাঁর সাথে অনেকবার দেখা হয়েছে। আমার জীবনে তাঁর মতো নির্লোভ, নির্মোহ, ত্যাগী নেতা খুব কমই দেখেছি। আওয়ামী লীগের ক্ষমতার সময়টা বলতে গেলে পুরোটাই তিনি অসুস্থ। ক্ষমতার স্বাদ তিনি ভোগ করতে পারেননি। আর ভোগের লিপ্সাও তাঁর ছিল না। তাঁর জীবনই ছিল ত্যাগের মহিমায় ভরপুর। এ কারণে শফিকুল হকের জন্য এসেছি।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, সুশাসন, নীতির-শাসন, সততার শাসন যদি বজায় রাখতে হয় তাহলে শেখ হাসিনাকে সমর্থনের কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার মতো সৎ নেতার কারণে উন্নয়ন, অগ্রগতিতে আজ বিশে^র বিস্ময়ে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা অনেকদূর এগিয়ে গেছেন। সততায় তিনি বিশে^র প্রথমসারির দু’তিনজনের মধ্যে একজন নেতা। অথচ বঙ্গবন্ধু এবং শেখ হাসিনার কর্মী হয়ে আমরা যদি অপকর্ম করি, তা হবে লজ্জার। এজন্য প্রতিজ্ঞা করতে হবে, আমরা অপকর্মকে আর আশ্রয়- প্রশ্রয় দেব না।

মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ এর পরিচালনায় শোকসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন ও এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, দলের কেন্দ্রীয় সদস্য সাবেক সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ও অধ্যাপক রফিকুর রহমান, সাবেক এমপি সৈয়দা জেবুন্নেছা হক, শাহ নেওয়াজ মিলাদ গাজী এমপি, মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি আলহাজ শফিকুর রহমান চৌধুরী।

সিলেটের রাজনীতি বাগানের সুবাসিত ফুল একে একে ঝরে যাচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো বলেন, আব্দুস সামাদ আজাদ, দেওয়ান ফরিদ গাজী, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী, শাহ এএমএস কিবরিয়া, আব্দুর রহিম, আব্দুজ জহির চৌধুরী সুফিয়ান, ইফতেখার হোসেন শামীম, আব্দুল খালিক মায়নসহ অনেকেই হারিয়ে গেছেন। গ্রেনেড বিস্ফোরণে ইব্রাহীমের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। যারা আছেন তাদের মধ্যে এডভোকেট আবু নছর ও লুৎফুর রহমানও অসুস্থ। তারাও কখন চলে যাবেন জানি না।

তিনি সামর্থ্যবান নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান, তারা যেন দলের অসুস্থ, অস্বচ্ছল, অক্ষম নেতা-কর্মীদের পাশে দাঁড়ান। যদি সম্ভব না হয় তাহলে দলের অসুস্থ সেসব নেতা-কর্মীর নাম আমার কাছে নিয়ে আসবেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী তাদেরকে সাহায্য সহযোগিতা করবেন।

দুঃসময়ের ত্যাগী নেতা-কর্মী যদি সুসময়ে কষ্টে জীবনযাপন করে, তার মেয়ের বিয়ে কিংবা সন্তানদের পড়ালেখা করাতে না পারে তাহলে দুঃখের সীমা থাকবে না উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, শফিকুল হকের পরিবারকে যদি আর্থিক অস্বচ্ছলতায় দিনাতিপাত করতে হয় তাহলে আহমদ, মিসবাহর মাধ্যমে আমরা বিষয়টি দেখবো।

তিনি বলেন, আপন ঘরে যার শত্রু, তার শত্রুতা করার জন্য বাইরের শত্রুর দরকার নেই। দলের মধ্যে যে কলহ-কোন্দল, বিভক্তি তা ঝেড়ে ফেলুন। ঘরের মধ্যে ঘর করা, পকেট কমিটি করা, এসব থেকে বিরত থাকুন। দুঃসময়ের ত্যাগী কর্মীদের কোনঠাসা না করে কমিটির সময় বিভিন্ন পদে তাদের মূল্যায়ন করুন। মন্ত্রী বলেন, মঞ্চের নেতারা দলাদলি না করলে কর্মীদের মধ্যে দলাদলি হবে না। শফিকুল হকের জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে আওয়ামী লীগকে ত্যাগের মহিমায়, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে, শেখ হাসিনার শিক্ষায় আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকবেন। কলহ, কোন্দলমুক্ত রাখবেন, এটাই আমার প্রত্যাশা।

সিলেটবাসীর উদ্দেশ্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের ভুলত্রুটি আছে, আমরা তা সংশোধন করছি। আমরা অতীত থেকে শিক্ষা নিচ্ছি এবং অপকর্মের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা দলের অভ্যন্তরে এই শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন। দুর্নীতি, অপকর্মের সাথে জড়িত কোনো গডফাদার রেহাই পাবে না।

সিলেটের উন্নয়ন প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ইতোমধ্যে ওসমানী বিমানবন্দর-সালুটিকর-ভোলাগঞ্জ সড়কের ৭১ ভাগ, অগ্রাধিকার প্রজেক্টের আওতায় সিলেট-তামাবিল-জাফলং সড়কের ৪০ ভাগ, সিলেট-গোলাপগঞ্জ-জকিগঞ্জ সড়কের ৭৬ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। এমনকি সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের সিলেট অংশে কাজ চলছে এবং সুনামগঞ্জ অংশের টেন্ডার হয়েছে শিগগির কাজ শুরু হবে। জেলা শহর প্রকল্পের আওতায় গোয়াইনঘাট, সিলেট-সুলতানপুর-বালাগঞ্জ সড়ক, ফেঞ্চুগঞ্জ-পালবাড়ি সড়কের কাজ চলমান রয়েছে।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের জন্য নিজেই লজ্জিত উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জন্য প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে সিলেট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অথচ সবকিছু ঠিকঠাক থাকা সত্ত্বেও সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক আমরা চারলেন করতে পারিনি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের কাজটি এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক’কে দিয়েছেন। তারা ল্যান্ড রিকুইজিশন, কান্ট্রি ডিরেক্টর রেডিসহ প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আমরা আশাবাদি, শিগগির ৬ লেনের ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নির্মাণ কাজ শুরু হবে। এর ফলে সিলেটের মানুষের দুর্ভোগ-দুর্গতির অবসান হবে।

জাতিসংঘে সফররত দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে সেতুমন্ত্রী সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি বলেন, আ ন ম শফিকুল হক এক আদর্শের নাম। তিনি তৃণমূল থেকে উঠে এসে রাজনীতির মাধ্যমে সকলের মন জয় করেছেন। সংগঠনের পরিধি বৃদ্ধি করতে সকলের সাথে যোগাযোগ রাখতেন এবং কঠোর পরিশ্রম করেছেন। তাঁর মৃত্যু আমাদেরকে নীতি ও নৈতিকতার শিক্ষা দিয়েছে। রাজনীতিতে এরকম আদর্শিক নেতার আগমন দেখা গেলে আমরা ধন্য হবো।

দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বলেন, আ’লীগে আবর্জনা ঢুকে গেছে, তা পরিষ্কার করতে হবে। লুটেরা শ্রেণির লোক আওয়ামী লীগে আর নেতা হতে পারবে না। যারা আ ন ম শফিুকল হকের মতো ত্যাগ স্বীকার করতে পারবে, তারা নেতা হবেন। তিনি বলেন, কাড়িকাড়ি টাকাওয়ালারা বিপদে পাশে দাঁড়ায় না, দূরে চলে যায়। এজন্য প্রধানমন্ত্রী নিজ ঘর থেকে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন।

সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ বলেন, অনুপ্রবেশকারীরা দলের এবং শেখ হাসিনার বদনাম ডেকে আনছে। তারা আমাদের মাথায় লবণ রেখে বরই খাওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনি খন্দকার মোশতাককে সিলেটের মাটিতে গণপিটুনি দেয়ার কারণে ১৭ মাস জেল খেটেছি। তিনি বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকার চেষ্টা করছি। আপনি (ওবায়দুল কাদের) আমাদের সাথে থাকবেন।

শোক সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ আশফাক আহমদ, মহানগর আ’লীগের সহ সভাপতি হাজী সিরাজুল ইসলাম, এডভোকেট রাজ উদ্দিন ও মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, জেলা আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নিজাম উদ্দিন, সুজাত আলী রফিক ও এডভোকেট মো. নাসির উদ্দিন খান, মহানগর আ’লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল আনওয়ার আলাওর, বিজিত চৌধুরী ও এডভোকেট মো. জাকির হোসেন, জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী দুলাল, মহানগর আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল, এডভোকেট শাহ মোশাহিদ আলী, নুরুল ইসলাম পুতুল ও এটিএম হাসান জেবুল, মহানগরের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক জগদীশ চন্দ্র দাশ, জেলা আ’লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা সাদ উদ্দিন আহমদ, মহানগর আ’লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক আজহার উদ্দিন জাহাঙ্গীর, জেলা আ’লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট রণজিত সরকার।

এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবু জাহিদ, জেলা আ’লীগের প্রচার সম্পাদক এডভোকেট মাহফুজুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক সাইফুল আলম রুহেল, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক কবির উদ্দিন আহমদ, উপদপ্তর সম্পাদক জগলু চৌধুরী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হাজি ফারুক আহমদ, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. আরমান আহমদ শিপলু, মহিলা বিষয়ক সম্পাদীকা নাজনীন হোসেন, মহানগর আ’লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক তপন মিত্র, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট সৈয়দ শামীম আহমদ, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক প্রিন্স সদরুজ্জামান, উপদপ্তর সম্পাদক বিধান কুমার সাহা, মহানগর শ্রমিকলীগের সভাপতি এম শাহরিয়ার কবির সেলিম প্রমুখ।

সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এমাদ উদ্দিন মানিক।

 

Developed by :