Sunday, 20 October, 2019 খ্রীষ্টাব্দ | ৫ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |




ব্রিটিশ সুপ্রিম কোর্টের রায়

প্রধানমন্ত্রীর পার্লামেন্ট স্থগিত রাখার ঘোষণা ছিল অবৈধ

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ‍‍`সবকিছু সামলে নেয়া‍‍`র আলোচিত সেই প্রতীকী- সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

লন্ডন: সম্প্রতি ব্রেক্সিট ইস্যুতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠা ব্রিটিশ পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী বোরিস জনসনের স্থগিতাদেশ আরোপের বিষয়টিকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে এক ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেছেন দেশটির আদালত।

মঙ্গলবার (২৫ সেপ্টেম্বর)  ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা বিবিসি’তে প্রকাশিত এক সংবাদে বলা হয়, এ মাসের শুরুতে পার্লামেন্টের ব্রেক্সিট সমর্থনকারী আইনপ্রণেতাদের বিপরীতে বিপক্ষ সাংসদদের বিরোধীতার জেরে এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন পাঁচ সপ্তাহের জন্য পার্লামেন্ট অধিবেশন স্থগিত করেন। তবে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন, রাণীর ভাষণের মাধ্যমে তার সরকারের নতুন নীতিমালা পার্লামেন্টে তুলে ধরার জন্য এই সময় দরকার।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের প্রতি তীব্রক্ষোভ প্রকাশ করতে শুরু করেন বিরোধীদলীয় সাংসদসহ দেশটির সাধারণ মানুষ। এক পর্যায়ে বিষয়টি সমাধানে আদালতের দ্বারস্থ হন বিরোধী নেতারা। এর প্রেক্ষিতে ঘোষিত এক রায়ে, পার্লামেন্ট স্থগিতে বরিসের দেয়া নির্দেশনাটিকে অবৈধ আখ্যা দেয় ব্রিটেনের সর্বোচ্চ আদালত। এ রায়ে আরও বলা হয়, ৩১শে অক্টোবর ব্রেক্সিটের সময়সীমার আগে পার্লামেন্টকে তার দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখা ভুল পদক্ষেপ ছিল।

এদিকে ডাউনিং স্ট্রিটে অবস্থিত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এ রায়ের বিষয়ে জানানো হয়, তারা আদালতের রায়টি বোঝার চেষ্টা করছেন।

এর আগে সুপ্রিম কোর্টের প্রেসিডেন্ট লেডি হেল ব্রিটিশ পারলামেন্ট সম্পৃক্ত রায়টি ঘোষণা করে বলেন, ‘ব্রিটেনের গণতন্ত্রের মৌলিক বিষয়গুলোর ওপর প্রধানমন্ত্রীর এই পদক্ষেপের প্রভাব ছিল চরম।’

তিনি আরও বলেন, “ব্রিটেনের রানিকে পার্লামেন্ট স্থগিত রাখার পরামর্শ দেয়া ছিল অবৈধ। কারণ কোন যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়াই এর মাধ্যমে পার্লামেন্টকে তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের ক্ষমতায় বাধা দেয়া হয়েছে।”

 

Developed by :