Sunday, 20 October, 2019 খ্রীষ্টাব্দ | ৫ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |




দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র নির্বাচন

সমালোচনায় মুখর দুই প্যানেলের প্রার্থীরা

নূর আহমদ

সিলেটের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি। অর্ধশতকের পুরনো এই সংগঠনের নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ের দিন একেবারেই আসন্ন। আগামী ২১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত এ নির্বাচন। দু’টি প্যানেলে বিভক্ত প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণা এখন তুঙ্গে। অন্যদিকে, জাল ভোট ও পারিবারিক বলয় সৃষ্টির বিতর্কও রয়েছে এই নির্বাচনে। প্রচারণার ক্ষেত্রে সিলেট সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ ও সিলেট ব্যবসায়ী পরিষদ দু’টি প্যানেলে বিভক্ত প্রার্থীরা একে অন্যের সমালোচনায় মুখর। তবে নির্বাচনে প্রার্থী দিতে দু’টি প্যানেলই নতুনদের গুরুত্ব দিয়েছে।

যাদের অধীনে হচ্ছে নির্বাচন ঃ খন্দকার সিপার আহমদের নেতৃত্বাধীন কমিটি বিদায়ের পর গঠিত নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের নেতৃত্বে আসেন আওয়ামী লীগ নেতা বিজিত চৌধুরী। জাল ভোটার বিতর্ক ও আইনি জটিলতার কারণে মেয়াদ চলে গেলে নির্দিষ্ট সময়ে নির্বাচন আয়োজনে ব্যর্থ হয় ওই পরিচালনা বোর্ড। ফলে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ভেঙে দেয়া হয় বিজিত চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন পরিচালনা বোর্ড। চলতি বছরের ৪ জুন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদকে চেম্বারের প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়। ১২০ দিনের মধ্যে তাকে নির্বাচন করার সময়সীমা বেঁধে দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এরপর গঠিত নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান মনোনীত হন জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নাসির উদ্দিন খান। এরপর থেকে তাদের অধীনেই চলছে নির্বাচনী কার্যক্রম।

নির্বাচনে প্রার্থী যারাঃ সিলেট চেম্বারে টাউন অ্যাসোসিয়েশনের একটি পরিচালক পদ ছাড়া অর্ডিনারি, গ্রুপ ও এ্যাসোসিয়েট ২১টি পদে ভোটযুদ্ধে লড়ছেন ৪০ প্রার্থী। টাউন অ্যাসোসিয়েশনের একটিমাত্র পরিচালক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন সমশের জামাল। অর্ডিনারি শ্রেণির ১২টি পরিচালক পদে ২৪ জন, অ্যাসোসিয়েট শ্রেণির ৬টি পরিচালক পদে ১০ জন, ট্রেড গ্রুপের ৩টি পরিচালক পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে প্রার্থীরা দুটি প্যানেলে বিভক্ত।

সিলেট ব্যবসায়ী পরিষদের প্রার্থীরা হলেন- অর্ডিনারি শ্রেণিতে এহতেশামুল হক চৌধুরী, মো. সাহিদুর রহমান, ফালাহ উদ্দিন আলী আহমদ, মুশফিক জায়গীরদার, মো. আবদুর রহমান জামিল, খন্দকার ইসরার আহমদ রকী, মো. শফিকুল ইসলাম, শান্ত দেব, মো. আবদুস সামাদ, খলিলুর রহমান চৌধুরী, ফখর উছ সালেহীন নাহিয়ান ও আলীমুল এহছান চৌধুরী।

সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদের প্রার্থীরা হলেন-আবু তাহের মো. শোয়েব, মো. মামুন কিবরিয়া সুমন, এনামুল কুদ্দুছ চৌধুরী, মুকির হোসেন চৌধুরী, হুমায়ুন আহমদ, মো. ফারুক আহমদ, মো. নজরুল ইসলাম, জুবায়ের রকিব চৌধুরী, আক্তার হোসেন খান, আবদুল হাদী পাবেল, শহিদ আহমদ চৌধুুরী ও মোহাম্মদ আবদুস সালাম। অ্যাসোসিয়েট শ্রেণিতেও একটি প্যানেল হয়েছে।

ঐ প্যানেলে রয়েছেন মাসুদ আহমদ চৌধুরী মাকুম, মো. এমদাদ হোসেন, পিন্টু চক্রবর্তী, আবদুর রহমান, চন্দন সাহা, মো. আতিক হোসেন। এর বাইরে অ্যাসোসিয়েট শ্রেণিতে ইলিয়াছ উদ্দিন লিপু, কাজী মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মো. আবুল কালাম ও মনোরঞ্জন চক্রবর্তী সবুজ প্রার্থী। ট্রেড গ্রুপে মো. সিরাজুল ইসলাম, মো. মাহবুবুল হাফিজ চৌধুরী মসফিক, মো. নুরুল ইসলাম, তাহমিন আহমদ, মো. আমিনুজ্জামান জোয়াহির ও ওয়াহিদুজ্জামান চৌধুরী। অর্ডিনারি শ্রেণিতে ১ হাজার ৪শ ১৩ জন ভোটার ১২ জনকে, এসোসিয়েট শ্রেণিতে ১ হাজার ৪০ জন ভোটার ৬ জনকে এবং গ্রুপ শ্রেণিতে ১১ জন ভোটার ৬ জন প্রার্থীকে নির্বাচিত করবেন।

চাচা-ভাতিজা শ্বশুর-জামাতা ও লিফলেট বিতর্ক ॥ নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে তত বাড়ছে একে অন্যের বিরুদ্ধে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি। প্রতিপক্ষের প্রার্থীদের সততা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ। এদের মধ্যে একটি পক্ষ বলছে-সিলেট ব্যবসায়ী পরিষদ প্যানেলে প্রার্থীদের মধ্যে চাচা-ভাতিজা প্রার্থী হয়েছেন। তাদের পরিবার দীর্ঘদিন থেকে কেবল চেয়ার বদল করছে। এর উদাহরণ স্বরূপ বলছেন ১৯৯৭-৯৮ সালে সিলেট চেম্বারের প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে ছিলেন ফখর উদ্দিন আলী আহমদ। ২০১৫-১৭ সালে তারই ছোট ভাই সালাহ উদ্দিন আলী আহমদ দুই মেয়াদে ছিলেন সভাপতির দায়িত্বে। এবার নির্বাচনে তারা প্রার্থী না হলেও নির্বাচন করছেন তাদের আরেক ছোট ভাই ফালাহ উদ্দিন আলী আহমদ, ফখর উদ্দিন আহমদের ছেলে ফখর উস সালেহীন নাহিয়ান।

অন্যদিকে অর্ডিনারি ক্যাটাগরিতে প্রার্থী ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) পরিচালক ও সিলেট চেম্বারের সদ্য সাবেক সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদের ছেলে খন্দকার ইশরার আহমদ রকি। খন্দকার সিপার আহমদের বেয়াই এহতেশামুল হক চৌধুরীও প্রার্থী হয়েছেন এই নির্বাচনে। প্রতিপক্ষ এই ইস্যুটিকেই নির্বাচনী প্রচারণায় কাজে লাগিয়ে জয়ী হওয়ার চেষ্টায় রয়েছেন।

অন্যদিকে সম্মিলিত ব্যবসায়ীদের পরিষদ প্যানেলের শীর্ষ প্রার্থীদের নিয়েও ‘সিলেটের সচেতন ব্যবসায়ী সমাজ’ এর নামে দুই পৃষ্ঠার একটি লিফলেট যাচ্ছে ভোটারদের হাতে হাতে। এতে প্যানেল লিডার আবু তাহের মোঃ সুয়েবের সততা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। সিলনেট সিকিউরিটিজ লিমিটেড এর কোটি টাকা আর্থিক অনিয়মের ফিরিস্তি তুলে ধরা হয়েছে এই লিফলেটে। রেফারেন্স হিসেবে সাবেক এক সিটি কাউন্সিলরের শেয়ার সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়েছে। আবু তাহের সুয়েবের অনিয়মের দায় স্বীকার সংক্রান্ত বোর্ড মিটিং এর কার্য বিবরণীও এখন ভোটারদের হাতে হাতে।

এই প্যানেলের অন্যতম প্রার্থী মুকির হোসেন চৌধুরী। চেম্বারের জাল ভোটার তৈরির চেষ্টার অভিযোগ সংক্রান্ত একটি তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে প্রচারণা চালানো হচ্ছে । অভিযোগ রয়েছে মুকির হোসেন চৌধুরী দক্ষিণ সুরমার বরইকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ১৪টি ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ভাই-ভাবীসহ ১৪জন স্বজনকে সদস্য করার জন্য আবেদন জমা দেন। তবে তদন্তে বেরিয়ে আসে ১৪টির সবকটা ট্রেড লাইসেন্সই ভুয়া। ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান চেম্বার সভাপতি বরাবরে চিঠি দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এই সুযোগে নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিপক্ষ জাল ভোটার তৈরির বিতর্ক সৃষ্টিকারী হিসাবে মুকির হোসেনের নাম উঠে এসেছে।

এ বিষয়ে সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ প্যানেলের টিম লিডার আবু তাহের মোঃ সুয়েব বলেন, তার প্যানেলের বিজয় নিশ্চিত দেখে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছেন। সিলনেট সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তিনি নিজে । সেখানকার ব্যবসায়িক বিষয় একেবারেই নিজস্ব। এটাকে নির্বাচনে সামনে নিয়ে এসে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছেন কেউ কেউ। আবু তাহের মোঃ সুয়েব দাবি করেন এসব অপপ্রচারে ব্যবাসায়ীরা কান দিবেন না, নির্বাচনে তার পূর্ণ প্যানেল জয়ী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

একই প্যানেলের প্রার্থী মুকির হোসেন চৌধুরীর দাবি, জাল ভোটার তৈরির বিরুদ্ধে তিনি সর্বদা সোচ্চার ছিলেন। কে বা কারা তার পরিবারের সদস্যদের নামে ভুয়া ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে ভোটার তৈরির চেষ্টা করেছিল, এর সাথে তার কোনো সংশ্লিষ্টা নেই। মুকির হোসেন দাবি করেন, এদের কেউ যেহেতু ভোটার হয়নি, এই আলোচনা অবান্তর। পরিবারের একজন সদস্যেরও দস্তখত মেলাতে পারবে না। তিনি এটা ষড়যন্ত্রমূলক ছিলো বলে দাবি করেন। মুকির হোসেন চৌধুরী বলেন, তাদের প্যানেল জয়ের ব্যাপারে সম্পূর্ণ আশাবাদী। এর মধ্যে প্যানেলের ৯ জন সদস্যের ব্যাপারে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান তিনি। চেম্বার নেতৃত্বকে পারিবারিক বলয় থেকে বের করে নিয়ে আসতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে সাড়া পড়েছে বলে দাবি করেন মুকির হোসেন চৌধুরী।

সাবেক দুই সভাপতির পরিবারের সদস্যদের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া প্রসঙ্গে সাবেক সভাপতি সালাহ উদ্দিন আলী আহমদ বলেন, পরিবারের যোগ্য সদস্যের নেতৃত্বে আসার ক্ষেত্রে দোষের কিছু নেই। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে যখন যোগ্য সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত হচ্ছেন-চেম্বারের নেতৃত্ব নির্বাচনে এই প্রশ্ন তোলা একেবারেই উদ্দেশ্য প্রণোদিত। তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পূর্ণ ভোটারদের ইচ্ছের উপর নির্ভর করে। ভোটাররা কাকে নির্বাচিত করবে সেটা তাদের ব্যক্তিগত বিষয়। সালাহ উদ্দিন আলী আহমদ দাবি করেন, অতীতের মতো চেম্বারকে যারা অকার্যকর করে রাখতে একের পর এক মামলা দিয়েছিলো, তারাই এই অপপ্রচারে লিপ্ত। তারা নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করতে চায় বলেও তিনি দাবি করেন।

সাবেক সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ বলেন, পরিবারের সংজ্ঞা যারা পড়েছে, তারা কখনো এসব অপপ্রচারে লিপ্ত হবে না। যারা শশুর- জামাইকে একই পরিবারের সদস্য মনে করে তাদের চিন্তা ভাবনা প্রশ্নবিদ্ধ। তিনি বলেন, তার পুত্র খন্দকার ইসরার আহমদ রকী তরুণ ব্যবসায়ী এবং সিলেট চেম্বারের মেম্বার। চেম্বারের সদস্য হয়ে থাকলে যে কেউ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারে। ভোটাররাই ঠিক করবে সে যোগ্য কি না। খন্দকার সিপার বলেন, ভোটারদের মধ্যে তরুণদের ব্যাপারে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। আমরা মনে করি চেম্বারকে গতিশীল রাখতে সিনিয়রদের সাথে তরুণদেরও আসা প্রয়োজন।

রাজনৈতিক প্রভাবঃ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানরা সিলেটে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। যারা সরাসরি আওয়ামী লীগের শীর্ষ পদবীধারী। এছাড়া নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী দুটি প্যানেলেও রয়েছেন রাজনৈতিক পদবীধারী ব্যবসায়ীরা। ফলে এর প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে, নির্বাচনী আমেজে। সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ রয়েছেন চেম্বার প্রশাসকের দায়িত্বে। অন্যদিকে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নাসির উদ্দিন খান দায়িত্ব পালন করছেন নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যানের।

প্রার্থীদের মধ্যেও সিলেট ব্যবসায়ী পরিষদের প্যানেলে প্রার্থী রয়েছেন-সিলেট মহানগর যুবলীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মুশফিক জায়গিরদার। একই প্যানেলে রয়েছেন মহানগর যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান জামিল। সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ প্যানেলেও মুকির হোসেন চৌধুরীসহ আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ রয়েছেন। ফলে অনেকেই দলের শীর্ষ নেতাদের নানাভাবে আনুকূল্য আদায়ের চেষ্টা করছেন। চেম্বারের নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের আগের দায়িত্বপ্রাপ্ত অনেককেই দুই পক্ষের প্রার্থীদের সভায় দেখা গেছে।

প্রশাসক ও চেয়ারম্যানের বক্তব্যঃ সিলেট চেম্বারের নির্বাচন পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি এডভোকেট  নাসির উদ্দিন খান জানান, প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ব্যাপারে দুই পক্ষ থেকে দুটি অভিযোগ জমা পড়লেও তাৎক্ষণিকভাবে উভয়পক্ষকে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নগরীর আম্বরখানা বরকতিয়া সুপার মার্কেটের সিরাজ উদ্দিন তালিকায় ভুয়া ভোটার থাকার অভিযোগ করলেও পরে তা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সকল মহলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। আগামী বুধবার সাংবাদিকদের সাথে বসে চূড়ান্ত প্রস্তুতি তুলে ধরবেন বলেও জানান তিনি।

সিলেট চেম্বার অব কমার্সের প্রশাসক আসাদ উদ্দিন আহমদ বলেন, ব্যবসায়ীদের মধ্যে নির্বাচনী আমেজ বইছে। প্রচার প্রচারণাও চলছে। তিনি জানান, গতকাল রোববার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিয়ে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন। উভয় পক্ষ থেকে কিছু কিছু অভিযোগ আসছে। তবে তা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধান করে দেয়া হচ্ছে। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন চেম্বার প্রশাসক আসাদ উদ্দিন আহমদ। – সৌজন্যে: দৈনিক সিলেটের ডাক

 

Developed by :