Monday, 23 September, 2019 খ্রীষ্টাব্দ | ৮ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |




বিয়ানীবাজারে পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে ডাকাত নিহত

বিয়ানীবাজার: বিয়ানীবাজারে পুলিশের সাথে কথিত বন্দুক যুদ্ধে এক ডাকাত নিহত হয়েছে। আজ রবিবার ভোরে শেওলা সেতু এলাকায় বন্দুক যুদ্ধের এ ঘটনা ঘটে। ডাকাতরা পালিয়ে যাওয়ার পর পুলিশ মিসবাহ নামের এক ডাকাতকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত ডাকাত সদস্য মিসবাহ উদ্দিনের বাড়ি জকিগঞ্জ উপজেলার শরিফাবাদ এলাকার লোহার সাঙ্গনে। তার পিতার আব্দুল মালিক।

পুলিশ তাকে শনিবার রাতে জাফলং এলাকা থেকে গ্রেফতার করে। তার বিরুদ্ধে বিয়ানীবাজার শিকারপুর এলাকায় ডাকাতি ঘটনাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। শনিবার প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে ডাকাতির কথা স্বীকার করে এবং তার কাছে অস্ত্র রয়েছে- সেকথা পুলিশকে জানায় ডাকাত মিসবাহ।।

স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পুলিশ অস্ত্র উদ্ধারে দুবাগের শেওলা সেতু সংলগ্ন এলাকায় রবিবার ভোর ৪টায় মিসবাহকে নিয়ে গেলে আগে থেকে উৎপেতে থাকা তার সহযোগী ডাকাতরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে ডাকাতরা পিচু হটে। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ডাকাত মিসবাহকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, অত্যাধুনিক কাটার যন্ত্র ও প্রচুর রাম দা উদ্ধার করে।

পুলিশ জানায়, ডাকাত সরদার মিসবাহ বিরুদ্ধে বিয়ানীবাজার থানাসহ একাধিক থানায় ৮টি মামলা রয়েছে। ২টি অস্ত্র আইনে, একটি ডাকাতি প্রস্তুতি এবং ৫টি ডাকাতি মামলা রয়েছে বন্দুক যুদ্ধে নিহত মিসবাহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে। সে বিয়ানীবাজার থানার শিকারপুর এলাকার ডাকাতি মামলার অন্যতম আসামী। শনিবার সিলেটের জাফলং এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

বিয়ানীবাজার থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) জাহিদুল হক বলেন, অস্ত্র উদ্ধারে ডাকাত মিসবাহকে নিয়ে শেওলা সেতু এলাকায় অভিযানে গেলে সেখানে অবস্থান নেয়া একদল ডাকাত পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশ পাল্টা গুলি ছোড়লে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় আমাদের কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

ঘটনাস্থল থেকে ডাকাত মিসবাহ উদ্দিনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।

 





Developed by :