Sunday, 2 October, 2022 খ্রীষ্টাব্দ | ১৭ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |




চিরনিদ্রায় শায়িত হাজি আব্দুস সাত্তার

বিয়ানীবাজার: হযরত গোলাবশাহ (রহ.) এর পূর্বপাশের কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বিয়ানীবাজারের সালিশ ব্যক্তিত্ব হাজি আব্দুস সাত্তার।

রোববার দুপুর ১১টায় পৌর এলাকার কসবা ইমাম বাড়ী শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে জানাজার নামাজ শেষে তার মরদেহ গোলাবশাহ ওয়াকফ স্টেট কবরস্থানে দাফন করা হয়।

জানাজায় সমাজের বিভিন্ন অঙ্গনের বিপুল সংখ্যক মানুষ শরিক হন।

জানাযার আগে গোলাবশাহ সমাজকল্যাণ সংস্থার  সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য নজরুল হোসেনের পরিচালনায় স্মৃতিচারণ করেন সাবেক মন্ত্রী  নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি, বিয়ানীবাজার পৌরসভার মেয়র মোঃ আব্দুস শুকুর এবং কসবা-খাসা গ্রাম কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও  উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজি আব্দুল হাছিব মনিয়া।

জানাযায় অংশ নেন বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আতাউর রহমান খান, শিক্ষাবিদ আলী আহমদ, শিক্ষাবিদ মজির উদ্দিন আনসার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন বাবুল ও জাকির হোসেন, প্রচার সম্পাদক হারুনুর রশিদ দিপু, সহ দপ্তর সম্পাদক দেওয়ান মাকসুদুল ইসলাম আউয়াল, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজি সামছুল ইসলাম, সহ সভাপতি আবু তাহের শিকদার,  সাধারণ সম্পাদক এবাদ আহমদ, দৈনিক সিলেটের ডাক পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ছাদেক আহমদ আজাদ, লায়ন্স ক্লাব অব বিয়ানীবাজারের সাবেক সভাপতি বিলাল উদ্দিন, ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান, আজাদ আহমদ ও আব্দুল হাফিজ, প্রবাসী আবু তাহের, পঞ্চখন্ড গোলাবিয়া লাইব্রেরীর সাধারণ সম্পাদক শাহেদ আহমদ, বিয়ানীবাজার জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আহমেদ ফয়সাল, বিয়ানীবাজার প্রেসক্লাব সভাপতি আতাউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মিলাদ মোঃ জয়নুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক এম হাসানুল হক উজ্জ্বল, সাংবাদিক জহির উদ্দিন প্রমুখ।

এছাড়াও এ সময় রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণ অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, আব্দুস সাত্তার (সেক্রোটারি সাত্তার) শনিবার (৩১ আগস্ট) বেলা ১২টা ৫ মিনিটের সময় সিলেট নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পরে শনিবার সন্ধ্যায় তার মরদেহ নিজের গ্রামের বাড়িতে এসে পৌঁছায়। সেখানে সর্বজন শ্রদ্ধেয় আব্দুস সাত্তারকে শেষবারের মতো দেখতে ছুটে আসেন আত্মীয়-স্বজন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাধারণ মানুষ।

 

Developed by :