Tuesday, 15 October, 2019 খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |




কুলাউড়ায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ১১

আবুল ফয়েজ খান কামাল: সিলেট থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া আন্ত:নগর উপবন এক্সপ্রেস ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। এ ঘটনায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং অন্তত ২৫০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।

রবিবার রাত পৌণে ১২টার দিকে ট্রেনটির ৫টি বগি লাইনচ্যূত হয়ে কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল স্টেশন থেকে ২০০ মিটার দুরে বড় ছড়া ব্রীজের নিচে পড়ে যায়। এই দুর্ঘটনার ফলে সিলেটের সাথে সারাদেশের ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।



রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রাত ২টা ৫৫ মিনিট (এখন পর্যন্ত পাওয়া খবর) ঘটনাস্থলে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত ১১ জনের মধ্যে পুরুষ ৯ জন এবং মহিলা ২ জন। আহত অনেকের অবস্থা গুরুতর। এঘটনায় নিহত একজন মহিলার পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি মাইজগাঁওয়ের মনোয়ারা বেগম (৪০)।

দুর্ঘটনায় উদ্ধারকারি বরমচালের স্থানীয় বাসিন্দা ফুসমুল আমিন ফাজু বিষয়টি নিশ্চিত করেন।



তিনি জানান, রবিবার রাত পৌণে ১২টার দিকে হঠাৎ ট্রেনটি বিকট শব্দ করে ৫টি বগি লাইনচ্যূত হয়ে কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল স্টেশন থেকে ২০০ মিটার দুরে কালা মিয়া বাজার সংলগ্ন বড় ছড়া ব্রীজের নিচে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ১১ জনের লাশ উদ্ধার করা হয় এবং লাইনচ্যুত বগির যাত্রী ছাড়াও মারাত্মক ঝাকুনিতে অন্তত ২৫০ যাত্রী আহত হয়েছেন। ১১ জনের মধ্যে পুরুষ ৯ জন এবং মহিলা ২ জন।

তিনি আরো বলেন, নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছেন। ঘটনাস্থলে কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্সও আনা হয়েছে।



কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উয়ারদৌস হাসান রাত ২টা ৫৫মিনিটে ঘটনাস্থল থেকে জানান, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস হতাহতদের উদ্ধারে কাজ করছে। ট্রেনের অন্য যাত্রীদেরও নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করা হচ্ছে।



জানা গেছে- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি সেতু ভেঙ্গে পড়ায় সিলেটের সাথে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগও পাঁচ দিন ধরে প্রায় বন্ধ রয়েছে। সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে ভারী যান চলাচল বন্ধ থাকায় ট্রেনের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন ঢাকাগামী যাত্রীরা। ফলে ধারণক্ষমতার চেয়ে প্রচুর বেশী যাত্রী নিয়ে ট্রেনটি সিলেট থেকে ছেড়ে যায়।
































 

Developed by :