Friday, 6 December, 2019 খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |




বাংলাদেশের জয়ের জন্য চাই ৩৮২ রান

স্পোর্টস ডেস্ক: ম্যাচের তখন মাত্র এক ওভার বাকি। এমন সময় ঝমঝমিয়ে নামে বৃষ্টি। সেই বৃষ্টি অবশ্য থাকেনি বেশিক্ষণ। মিনিট কয়েক পরই আবারও মাঠে নামে অস্ট্রেলিয়া। ফলে পুরো ৫০ ওভারই ব্যাট করতে পেরেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ৫ উইকেটে তারা তুলেছে ৩৮১ রান। অর্থাৎ জিততে হলে বাংলাদেশকে করতে হবে ৩৮২ রান।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে বেশ সতর্কতার সঙ্গে শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। দুই ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ আর ডেভিড ওয়ার্নার বাংলাদেশি বোলারদের দেখেশুনে খেলছিলেন। সেঞ্চুরি জুটিও গড়েন তারা।



কিছুতেই কিছু হচ্ছিল না। ফ্রন্টলাইন বোলাররা অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংকে বিপদে ফেলতে পারছিলেন না। অবস্থা বেগতিক দেখে ২১তম ওভারে পার্টটাইমার সৌম্য সরকারের হাতে বল তুলে দেন মাশরাফি বিন মর্তুজা।

অধিনায়কের এমন বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত কাজে লেগে যায় সঙ্গে সঙ্গে। নিজের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলে এসে অ্যারন ফিঞ্চকে শর্ট থার্ড ম্যানে রুবেল হোসেনের ক্যাচ বানান সৌম্য। ফিঞ্চ ৫১ বলে করেন ৫৩ রান। ১২১ রানের ওপেনিং জুটি ভাঙায় স্বস্তি ফিরে বাংলাদেশ শিবিরে।



তবে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে সে স্বস্তিকে আবারও অস্বস্তিতে রূপ দেন ওয়ার্নার আর উসমান খাজা। এর মধ্যে ওয়ার্নার এবারের বিশ্বকাপে তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরিও তুলে নেন। সেটা দেড়শোতে নিয়েও থামেননি।

১৯২ রানের বিশাল এই জুটিটি শেষপর্যন্ত ভাঙেন ওই সৌম্য সরকারই। যেন ফিঞ্চের আউটের পুণরাবৃত্তি। শর্ট থার্ড ম্যানে রুবেলই নিয়েছেন ক্যাচ। ১৪৭ বলে ১৪ বাউন্ডারি আর ৫ ছক্কায় ওয়ার্নারের উইলো থেকে আসে ১৬৬ রান।



এরপর উইকেটে এসে ছোটখাটো এক ঝড় তুলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ৪৭তম ওভারে এসে আবারও চমক দেখান সৌম্য। ১০ বলে ২ চার আর ৩ ছক্কায় ৩২ রান করা ম্যাক্সওয়েল শর্ট ফাইন লেগে বল ঠেলে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। রুবেল হোসেন সরাসরি থ্রোতে স্ট্যাম্প ভেঙে দেন।

ওই ওভারেরই পঞ্চম বলে উসমান খাজাকে মুশফিকুর রহীমের ক্যাচ বানান সৌম্য। ৭২ বলে ১০ বাউন্ডারিতে ৮৯ রানে সাজঘরের পথ ধরেন খাজা, সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে।



পরের ওভারের প্রথম বলে স্টিভেন স্মিথকে মাত্র ১ রানেই এলবিডব্লিউ করেন মোস্তাফিজুর রহমান। শেষদিকে মার্কাস স্টয়নিসের ১৭ আর অ্যালেক্স কারের ১১ রানে ৩৮১তে থামে অস্ট্রেলিয়া।



বাংলাদেশের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল পার্টটাইমার সৌম্য সরকারই। ৮ ওভারে ৫৮ রান খরচায় তিনি নেন ৩টি উইকেট।

 




























 

Developed by :