Wednesday, 18 September, 2019 খ্রীষ্টাব্দ | ৩ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |




শ্রীমঙ্গলে সহপাঠী হত্যার বিচারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

মৌলভীবাজার: শ্রীমঙ্গলে ট্রাকে পিষ্ট হয়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার না করায় আবারো মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে শিক্ষার্থীরা। এসময় ঘটনায় ট্রাক চালককে গ্রেপ্তার করে ফাঁসি দেওয়া, স্কুল চলাকালীন সময়ে বালুর ট্রাক চলাচল বন্ধ করা ও নিরাপদ সড়কের দাবি জানায় শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (১৭ জুন) সকালে উপজেলার ভুজপুর বাজারে আছিদ উল্লা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আয়োজনে এ প্রতিবাদ সভায় অংশ নেয় দি মর্ণিং সান কেজি স্কুল , ডোবাগাও বি ইউ দাখিল মাদ্রাসা, নিরাপদ বাংলাদেশ চাইসহ বিভিন্ন স্কুল ও সংগঠনের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সদস্যরা।



প্রতিবাদ সভায় আছিদ উল্লা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পান্না লাল বর্ধনের সভাপতিত্বে ও বঙ্গকবি লুৎফুর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য আজিজুর নাহারসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

আছিদ উল্লা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বলেন, আছিদ উল্লা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থীর আলমগীর হোসেনকে (১৪) বালুবাহী একটি ট্রাক পিছন দিক থেকে ধাক্কা দিয়ে মেরে ফেলেছে। এই ঘটনার এতদিন পেড়িয়ে গেলেও এখনো কোন আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। এভাবে বিচারহীনতা চলতে থাকলে সড়কে মৃত্যুর মিছিল আরো বাড়বে।



এসময় শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, স্কুলের পাশের রাস্তা দিয়ে ভোর থেকে রাত অব্দি একের পর এক বালু ভর্তি গাড়ি চলতে থাকে। ছোট ও সরু রাস্তাদিয়ে খুবই দ্রুত গতিতে গাড়ি চালায়। আমরা চাই শীঘ্রই আমাদের স্কুল চলাকালীন সময়ে এসব বালুর গাড়ির চলাচল প্রশাসন বন্ধ করে দিবে।



শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছালেক বলেন, আসামিকে যত দ্রæত সম্ভব গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আসামি পলাতক রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ মে আছিদ উল্লা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থীর আলমগীর হোসেন (১৪) বাইসাইকেল চালিয়ে সিন্দুরখান বাজার থেকে নিজ বাড়ি সিক্কা আসছিল।



আসার পথে খারিজ্জমা এলাকায় পৌঁছতেই দ্রুতগামী বালুবাহী একটি ট্রাক পিছন দিক থেকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত আলমগীর সিন্দুরখান ইউনিয়নের সিক্কা গ্রামের আব্দুল হক এর পুত্র।






























 

Developed by :