Saturday, 17 August, 2019 খ্রীষ্টাব্দ | ২ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |




সুন্দরবনে পর্যটকদের ভিড়

আকরামুল ইসলামসাতক্ষীরা:  বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের কলাগাছিয়া এলাকায় পর্যটকদের ভিড় বেড়েছে। সুন্দরবনকে একনজর দেখার জন্য দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভিড় করছেন প্রচুর পর্যটক। আবহাওয়া বৈরী না হলে পর্যটকদের মাত্রা আরও বাড়তো বলে অভিমত বন বিভাগ কর্মকর্তাদের।

sathkhira-(2).jpg

সুন্দরবন থেকে ফিরে আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ জাগো নিউজকে বলেন, এ বছর ঈদের দিন থেকেই আবহাওয়া বৈরী। তবুও ভ্রমণপিপাসুরা থেমে নেই। বৃষ্টি উপেক্ষা করেই তারা প্রিয় স্থানগুলোতে ঘুরছেন। এছাড়া ঈদের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে এসেছেন অনেকে। পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরছেন দর্শনীয় স্থানগুলোতে। দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে সুন্দরবন অন্যতম। তাছাড়া অনেকে ঈদের আগেই ঠিক করে রেখেছিলেন সুন্দরবন ভ্রমণ করবেন। সে কারণে বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে পর্যটকরা ছুটছেন সুন্দরবনের দিকে।

sathkhira-(2).jpg

শ্যামনগর উপজেলার কলাগাছিয়া বন ফাঁড়ির কর্মকর্তা নুর ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, প্রতিদিন প্রচুর পর্যটক সুন্দরবনের মধ্যে প্রবেশ করছেন। প্রতি দিন ৪০-৫০টি বোট প্রবেশ করছে সুন্দরবনে কলাগাছিয়া এলাকা থেকে। প্রতিটি সরকার নিবন্ধিত বোটে প্রতিবার সুন্দরবনে প্রবেশ করলে সরকার ৩১৮ টাকা করে রাজস্ব পায়। এছাড়া প্রতিজন পর্যটককে রাজস্ব দিতে হয় ২৩ টাকা করে। প্রতিটি বোটে ৩০-৫০ জন করে পর্যটক উঠতে পারেন।

sathkhira-(2).jpg

তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার বৈরী আবহাওয়ার মধ্য দিয়ে সুন্দরবনে বোট প্রবেশ করেছে ৩০-৩৫টি। শুক্রবার প্রবেশ করেছে ৪০-৪৫টি। শনিবার প্রবেশ করেছে ৩৮-৪০টি। সব মিলিয়ে বৈরী আবহাওয়ার মধ্য দিয়েও সুন্দরবন কলাগাছিয়া এলাকায় পর্যটকদের প্রচুর ভিড়। সরকারেরও রাজস্ব অর্জিত হচ্ছে প্রচুর।

sathkhira-(2).jpg

এই এলাকায় পর্যটকদের আকর্ষণের মূল কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, বনের মধ্যে প্রবেশ করলেই বানর ও হরিণ খুব কাছ থেকে দেখা যায়। অনেক সময় হরিণ মানুষের সন্নিকটে চলে আসে। সে কারণে মূলত কলাগাছিয়া এলাকা দিয়ে সুন্দরবনে বেশি প্রবেশ করেন পর্যটকরা। এ বছর রংপুর ও দিনাজপুর থেকে পর্যটকরা এসেছেন। বন বিভাগের পক্ষ থেকে পর্যটকদের সঙ্গে আন্তরকি ব্যবহার ও সহযোগিতা করা হয়। আবহাওয়া বৈরী না হলে পর্যটকদের আগমন আরও বাড়তো।

 

Developed by :