Tuesday, 25 February, 2020 খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ ফাল্গুন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |




দুঃখী মায়েদের মুখে হাসি ফোটাতে বৃদ্ধাশ্রমে পূর্ণিমা

বিনোদন ডেস্ক:  ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা পূর্ণিমাকে অনেকদিন বড় পর্দায় দেখা না গেলেও টিভি পর্দায় তিনি বেশ নিয়মিত। গতকাল শুক্রবার তার দেখা মিলেছে একটি বৃদ্ধাশ্রমে।

রাজধানীর উত্তরার উত্তরখান এলাকার মৈনারটেক জিয়াবাগ বৈকাল স্কুলের পাশে অবস্থিত বৃদ্ধাশ্রমটির নাম ‘আপন নিবাস বৃদ্ধাশ্রম’।রাজধানীর উত্তরার উত্তরখান এলাকার মৈনারটেক জিয়াবাগ বৈকাল স্কুলের পাশে অবস্থিত বৃদ্ধাশ্রমটির নাম ‘আপন নিবাস বৃদ্ধাশ্রম’।সেখানে বর্তমানে পঞ্চাশেরও বেশি বৃদ্ধ মা ও বেশ কিছু প্রতিবন্ধী রয়েছেন। তাদের সঙ্গে সময় কাটাতে গিয়েছিলেন পূর্ণিমা।সেখানে বর্তমানে পঞ্চাশেরও বেশি বৃদ্ধ মা ও বেশ কিছু প্রতিবন্ধী রয়েছেন। তাদের সঙ্গে সময় কাটাতে গিয়েছিলেন পূর্ণিমা।বয়স্ক অসহায় মানুষগুলোর মুখে হাসি ফুটিয়ে এসেছেন পূর্ণিমা। তাকে কাছে পেয়ে খুশিতে মন ভরছে তাদের।বয়স্ক অসহায় মানুষগুলোর মুখে হাসি ফুটিয়ে এসেছেন পূর্ণিমা। তাকে কাছে পেয়ে খুশিতে মন ভরছে তাদের।পূর্ণিমা বৃদ্ধাশ্রম ঘুরে এসে সেখানকার বেশ কিছু ছবি পোস্ট করেছেন নিজের ফেসবুক পেজে। যেনো কথা বলছে সেই ছবিগুলোই।পূর্ণিমা বৃদ্ধাশ্রম ঘুরে এসে সেখানকার বেশ কিছু ছবি পোস্ট করেছেন নিজের ফেসবুক পেজে। যেনো কথা বলছে সেই ছবিগুলোই।পূর্ণিমা বললেন, ‘আমি বৃদ্ধাশ্রমের মানুষগুলোর সঙ্গে একবেলা খাবার খেয়েছি, তাদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি। সেখানে গিয়ে আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। বৃদ্ধাশ্রমটিতে প্রায় পঞ্চাশ জনের মত বৃদ্ধ রয়েছেন, যাদের মধ্যে অনেকের বয়সই একশ এর বেশি।’পূর্ণিমা বললেন, ‘আমি বৃদ্ধাশ্রমের মানুষগুলোর সঙ্গে একবেলা খাবার খেয়েছি, তাদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি। সেখানে গিয়ে আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। বৃদ্ধাশ্রমটিতে প্রায় পঞ্চাশ জনের মত বৃদ্ধ রয়েছেন, যাদের মধ্যে অনেকের বয়সই একশ এর বেশি।’পূর্ণিমা আরও এছাড়া কিছু যুবতি রয়েছে, রয়েছে কিছু প্রতিবন্ধী যারা চোখে দেখতে পায় না। আমার কাছে এটা ভালো লেগেছে যে তারা একটি নির্ভরযোগ্য স্থানে আছে যেখানে তারা সঠিক যত্নটা পাচ্ছে।’পূর্ণিমা আরও এছাড়া কিছু যুবতি রয়েছে, রয়েছে কিছু প্রতিবন্ধী যারা চোখে দেখতে পায় না। আমার কাছে এটা ভালো লেগেছে যে তারা একটি নির্ভরযোগ্য স্থানে আছে যেখানে তারা সঠিক যত্নটা পাচ্ছে।’পূর্ণিমার কথায়, ‘তাদের সঙ্গে সময়টা কাটিয়ে এবং একবেলা খাওয়াতে পেরে অনেক ভালো লেগেছে। শান্তি অনুভব করছি। আমার মত করে আপনারা যারা আছেন সবাই আসুন, তাদের সঙ্গে সময় কাটান একবেলা। সবাইকে অনুরোধ করবো তাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর জন্য।’পূর্ণিমার কথায়, ‘তাদের সঙ্গে সময়টা কাটিয়ে এবং একবেলা খাওয়াতে পেরে অনেক ভালো লেগেছে। শান্তি অনুভব করছি। আমার মত করে আপনারা যারা আছেন সবাই আসুন, তাদের সঙ্গে সময় কাটান একবেলা। সবাইকে অনুরোধ করবো তাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর জন্য।’আপন নিবাস বৃদ্ধাশ্রমটির নির্বাহী প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সৈয়দা সেলিনা শেলী বলেন, ‘আমাদের এই বৃদ্ধাশ্রমে এসেছিলেন সবার প্রিয়মুখ পূর্ণিমা অসম্ভব ভালো মনে মানুষ তিনি। মায়েদের জন্য খাবার এনেছেন, গল্প করেছেন, গান করেছেন আর অফুরন্ত ভালোবাসা দিয়েছেন। দিনটির কথা আমাদের মা এবং ছোট প্রতিবন্ধী বোনেরা কখনোই ভুলবে না’।আপন নিবাস বৃদ্ধাশ্রমটির নির্বাহী প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সৈয়দা সেলিনা শেলী বলেন, ‘আমাদের এই বৃদ্ধাশ্রমে এসেছিলেন সবার প্রিয়মুখ পূর্ণিমা অসম্ভব ভালো মনে মানুষ তিনি। মায়েদের জন্য খাবার এনেছেন, গল্প করেছেন, গান করেছেন আর অফুরন্ত ভালোবাসা দিয়েছেন। দিনটির কথা আমাদের মা এবং ছোট প্রতিবন্ধী বোনেরা কখনোই ভুলবে না’।এক বৃদ্ধা মাকে জুড়িয়ে ধরেছেন পূর্ণিমা।এক বৃদ্ধা মাকে জুড়িয়ে ধরেছেন পূর্ণিমা।

বৃদ্ধা মায়েদের সঙ্গে হাসি আনন্দে মেতে আছেন পূর্ণিমা।বৃদ্ধা মায়েদের সঙ্গে হাসি আনন্দে মেতে আছেন পূর্ণিমা।
 

Developed by :