Friday, 6 December, 2019 খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |




গণপিটুনিতে ছাত্রলীগ নেতা নিহত : বাবা-ছেলেসহ গ্রেফতার আরও চার

নিহত মহিউদ্দিন সোহেল

চট্টগ্রামে চাঁদাবাজির অভিযোগে ‘গণপিটুনিতে’ সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিন সোহেল নিহতের ঘটনায় আরও চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার (৩১ মার্চ) রাতে নগরীর পাহাড়তলী বাজার থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার চারজন হলেন- রমজান আলী কিরণ (৩০), মো. ইকবাল (২১), মো. লালন (৫০) এবং তার ছেলে শাকিল খান শামীম (১৯)।

সূত্র বলছে, গ্রেফতারদের নামে মামলার এজাহারে নেই। সোহেল হত্যা মামলায় পুলিশ এ পর্যন্ত পাহাড়তলী বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সদস্য ওসমান খানসহ মোট ১৭ জনকে গ্রেফতার করেছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (ডবলমুরিং) আশিকুর রহমান জাগো নিউজকে জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে নতুন চারজনকে আটক করা হয়। তাদের হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। দুপুরে তাদের আদালতে হাজির করা হবে।

গত ৭ জানুয়ারি সকালে নগরীর ডবলমুরিং থানার পাহাড়তলী বাজারে ‘গণপিটুনিতে’ মহিউদ্দিন সোহেলের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর পুলিশ ও বাজারের ব্যবসায়ীরা জানান, চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে ব্যবসায়ী ও জনতা মিলে মহিউদ্দিন সোহেলকে গণপিটুনি দেয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে।

তবে পরদিন তার পরিবারের পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মহিউদ্দিন সোহেল কোনো ছিঁচকে চাঁদাবাজ কিংবা সন্ত্রাসী ছিলেন না। স্থানীয় কাউন্সিলর সাবের সওদাগর ও ওসমান খানের রোষানলে পড়েছিলেন।

হত্যাকাণ্ডের পর ৮ জানুয়ারি রাতে মহিউদ্দিন সোহেলের ছোট ভাই শাকিরুল ইসলাম শিশির বাদী হয়ে নগরীর ডবলমুরিং থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সরাইপাড়া ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সাবের আহমদ সওদাগর ও পাহাড়তলী বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সদস্য ওসমান খানসহ ২৭ জনের নাম এজাহারে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া আরও ১০০ থেকে ১৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

 

 

 

 

 

 

 


 


















 


 

Developed by :