Sunday, 2 October, 2022 খ্রীষ্টাব্দ | ১৭ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |




অবৈধ ইটভাটা আর বোমা মেশিন বন্ধে মন্ত্রীর হুশিয়ারি

বিয়ানীবাজারবার্তা২৪.কম।।

অবৈধভাবে গড়ে উঠা ইটভাটা আর পাথর কোয়ারিগুলােতে চলা পরিবেশ বিধ্বংসী বোমা মেশিন বন্ধে হুশিয়ারি দিয়েছেন পরিবেশ ও বন মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন।

দেশের বেশিরভাগ ইটভাটাই আইন অমান্য করে গড়ে ওঠেছে এবং এগুলো বন্ধে নতুন আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।



শনিবার সকালে সিলেটের টিলাগড়ের বন্যপ্রানী সংরক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সিলেট বন বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমনটি জানান পরিবেশ ও বনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, দেশে যতোগুলো ইটভাটা আছে সেগুলোর বেশীরভাগই আইন অমান্য করে স্থাপন করা হয়েছে। তাছাড়া স্কুল-কলেজের ও লোকালয়ের পাশে সেগুলো স্থাপন হওয়ায় ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে দেশের মানুষ। তাই ইটভাটা বন্ধে নতুন আইন প্রণয়নের কাজ চলছে।



আগামীকালই (রোববার) সংসদে নতুন আইনটি তোলা হবে। নতুন আইনের আওতায় এলে ইটভাটা নিয়ে আর কোন সমস্যা থাকবেনা বলেও জানান তিনি।



মন্ত্রী বলেন, দেশের অবকাঠামো নির্মাণে সারাদেশে মাত্র দশটি আধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত ইটভাটা থাকলেই যথেষ্ট। এসকল ইটভাটায় প্রতিদিন অন্তত এক লক্ষ ইট প্রস্তুত করতে সক্ষম হবে। দশজন আলাদা আলাদা ইটভাটা না খোলে দশজন মিলে একটি করে এভাবে মাত্র দশটি ইটভাটা দিয়ে দেশের চাহিদা মেটানো সম্ভব। বছরের ৩৬৫দিনই এসব ইটভাটায় ইট উৎপন্ন হবে।



তিনি বলেন, বায়ু কিংবা পরিবেশ যেসব কারণে দূষিত হয় সেগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো ইটভাটা। দেশের উন্নয়নে ইটভাটার প্রয়োজন আছে। প্রয়োজনেই মানুষ প্রতিনিয়ত নতুন নতুন অবকাঠামো স্থাপন করে। কিন্তু একটি প্রয়োজন মেটাতে গিয়ে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যকে চরমভাবে উপেক্ষা করা সমীচীন নয়।



এদিকে, দেশের বিভিন্ন পাথর কোয়ারি ও নদীতে ‘বোমা মেশিন’ নামে পরিচিত পরিবেশ বিধ্বংসী বালু ও পাথর কাটার মেশিন বন্ধে কঠোর হতে সিলেট বন বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তর কর্মকর্তাবৃন্দের নির্দেশ দিয়েছেন পরিবেশ ও বনমন্ত্রী। পরিবেশ সংরক্ষণে অবৈধ ভাবে বোমা মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলন, পাহাড় কর্তন ও বালু উত্তোলনে যতো কঠোর হওয়া প্রয়োজন ততোটুকু কঠোর মনোভাব দেখাবেন বলেও হুশিয়ারি দেন তিনি।



সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আলতাফ হোসেনের যৌথ পরিচালনায় সিলেট বিভাগের বিভিন্ন রেঞ্জ এবং বিটের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এসভায় উপস্থিত ছিলেন।



এর আগে মন্ত্রী বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্র ঘুরে বিভিন্ন পশুপাখি পরিদর্শন করেন।

 

 

 



 


















 











 

Developed by :