Wednesday, 28 September, 2022 খ্রীষ্টাব্দ | ১৩ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ |




সংসদে যোগদানের আগে মাজার জিয়ারত করলেন সুলতান মনসুর

বিয়ানীবাজারবার্তা২৪.কম।।

মৌলভীবাজার-২ আসনে ঐক্যফ্রন্ট থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য সুলতান মনসুর আহমদ সংসদের যোগ দেওয়ার আগে হযরত শাহজালাল (রঃ) ও হযরত শাহপরান (রঃ) এর মাজার জিয়ারত করেছেন।

 

বৃহস্পতিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) তিনি মাজার জিয়ারত করেন।

 

 



এছাড়াও সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানী, সাবেক স্পিকার মরহুম হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী মরহুম দেওয়ান ফরিদ গাজী এবং পিতা মাতার কবর জিয়ারত করেন।

 

 



এসময় তিনি ঢাকার চকবাজারের মর্মান্তিক অগ্নিকান্ডে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করে এবং হতাহতদের জন্য বিশেষ মোনাজাত করেছেন।

উল্লেখ্য, স্বাধীনতার মাস মার্চের ১৫ তারিখের মধ্যে সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ শপথ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন এবং মোকাব্বির খানও।

 

 



প্রসঙ্গত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মোহাম্মদ মনসুর ২০০৯ সালের সম্মেলনে বাদ পড়েন দলীয় পদ থেকে। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পর অনেকেই মনে করেছিলেন আওয়ামী লীগের রাজনীতি এখানেই শেষ। তাই অনেক নেতাই সে সময় ভিন্ন পথ ধরেছিলেন।

 

 



কিন্তু সুলতান মোহাম্মদ মনসুর বঙ্গবন্ধুকে হত্যার প্রতিবাদে কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বে প্রতিরোধ আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। এ কারণে জীবনের বড় একটা সময় কাটাতে হয়েছে ভারতের মেঘালয়ের পাহাড়ে আত্মগোপনে। ৭৫-এর পর প্রথম ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে ডাকসুর ভিপি হয়ে তিনি পাদপ্রদীপে এসেছিলেন।

 

 



১৯৬৮ সাল থেকে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে যে রাজনীতি শুরু করেছিলেন তা আজও আছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকারবিরোধী ঐক্যফ্রন্টে যোগ দিলেও লাখো সরকারবিরোধী কর্মীর সামনে আঙুল উঁচিয়ে বলেছেন- ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’। বারবার জনসভায় উচ্চারণ করেছেন – ‘আজন্ম বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে নিয়েই চলব।

 

 



সৎ, পরিচ্ছন্ন ও সুনীতির ব্যক্তি সুলতান মনসুর মেধাবী, আদর্শবান ও পরীক্ষিত ছাত্রনেতা হিসেবে আশির দশকে সারা বাংলাদেশ কাঁপিয়েছিলেন। নেতৃত্বগুণে শেখ হাসিনার কাছের মানুষ হতেও তার সময় লাগেনি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন হয়ে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছিলেন। এর প্রমাণও দিয়েছিলেন সে সময়।

 

 



দায়িত্ব গ্রহণ করে ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আন্দোলনে তার সক্রিয় রাজনীতি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে। কিন্তু নেত্রীর আস্থাভাজন হয়েও ১/১১-এর পর সংস্কারপন্থী হিসেবে তাকে আখ্যায়িত করা হয়। সে সময় সংস্কারপন্থী হিসেবে আখ্যায়িত তোফায়েল আহমেদ, আব্দুর রাজ্জাক, আমির হোসেন আমু, সুরঞ্জিত সেনগুপ্তসহ অনেকেই দলে ফিরে আসেন।

 

 



কিন্তু ফিরে আসতে পারেননি ‘৭৫ পরবর্তী পরিস্থিতিতে অস্ত্রহাতে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিরোধের ডাক দিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া এবং আশির দশকের কঠিন সময়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতিকে সক্রিয় ও সুসংগঠিত করার কারিগর সুলতান মনসুর।

 

 



 

 



 

 



 


















 

Developed by :