Sunday, 21 July, 2019 খ্রীষ্টাব্দ | ৬ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |




লন্ডনে একান্ত সাক্ষাৎকারে ফকির আলমগীর: স্বাধীনতা পুরস্কার আমার প্রাপ্য ছিল

এশিয়া মহাদেশের প্রখ্যাত শিল্পী জীবন্ত কিংবদন্তি মুক্তিযোদ্ধা গণসঙ্গিতশিল্পী ফকির আলমগীর। একুশে পদকসহ দেশ বিদেশে অনেক পদকে তিনি ভূষিত হয়েছেন সঙ্গিতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তিনি বাংলা ভাষাভাষি মানুষদের গান শোনিয়েছেন। তাঁর জীবনধর্মী গান আজো সমাজ সংস্কারের মানুষকে উজ্জিবীত করে। গণসঙ্গিতে দীর্ঘ ৫০ বছর কাটানো এই গুনী শিল্পী সম্প্রতি ইংল্যান্ড ঘুরে গেছেন।

ইংল্যান্ডে থাকাকালীন সময়ে তাঁর স্বাক্ষাতকার গ্রহণ করেছিলেন আমাদের ইউরোপ প্রতিনিধি ফয়সল মাহমুদ

নিচে এর চুম্বক অংশ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

ফয়সল মাহমুদ: এবারের ইংল্যান্ড সফর সম্পর্কে যদি বলতেন?

ফকির আলমগীর : আমি এসেছিলাম পারিবারিক কাজে কিন্তু ইংল্যান্ডে পারিবারিক কাজের বাইরে লন্ডনস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের অনুষ্টানসহ অনেক অনুষ্টানে যোগদান করেছি। মূলত একটি বিয়ের আমন্ত্রনে লন্ডন আসা।

বিয়ানীবাজারবার্তা২৪.কম: কেমন কাটছে আপনার লন্ডনের দিনগুলি?

ফকির আলমগীর: (জবাবে গানের সুরে সুরে)
“আমি কাজ করি লন্ডনে
সকাল আর বিকাল কাজ করি মা,
কাজ ছাড়া কিছু নাই এখানে
মাগো কাজ করি লন্ডনে‘
কিংবা
“ওরে জালালি কইতর
তুমি লইয়া যাও খবর
সিলেটেতে আছে যেতায়
শাহজালালের ঘর।
না করলাম সালাম তাঁরে
নিজে যাইয়া তাঁর মাজারে
মিছা মায়ায় আছি পরে ফাঁন্দের ভিতর।”

সিলেটসহ প্রবাসী লন্ডনীরা যারা আছেন তাঁরা দেশের মায়ায় কাঁদেন তাঁরা আমার প্রানের মানুষ। কারন তাদের ভালোবাসতে গিয়ে তাঁদের প্রকৃতি, তাঁদের আথিতেয়তায় মুগ্ধ হয়ে ১৯৭৮ সালের ২রা জানুয়ারী সিলেটের হবিগঞ্জের রাজনগরের গরগরা সুরেয়া আলমগীর বনলঙ্কিকে বিয়ে করি। তাঁর স্ত্রী সর্ম্পকে বলতে গিয়ে তিনি গানের সুরে সুরে বলেন-

‘সাদা সাদা মেম দেখলাম
প্যারিসে কিংবা লন্ডনে
সুরমা পারের কন্যার কথা
ভাসে দুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুুনয়নে“

আমি আমার সুরমার পারে বার বার ফিরে যেতে চাই। শাহজালাল শাহপরান অলি আল্লাহখ্যাত সিলেটের মাটিতে। ১৯৮৪ সালে যখন বন্যা হলো মৌলভীবাজারে তখন আমি গান গাই-
‘আল্লাহ মেঘ দে পানি দে
কইমুনাতো আর
এমন পানি পানি দিলা তুমি
ভাসলো ঘর আর দুয়ার।
সোনার ধানে ভরা ছিল
ওই যে সোনার মাঠ
মনু নদীর পারে ছিল
রাজনগরের হাট।
বানে সবই কাইড়া নিল
গরু ছাগল ভাইসা গেলো
ডুইবা গেলো শত শত
সখিনার সংসার‘।

বিয়ানীবাজারবার্তা২৪.কম: আপনার অনেক বিখ্যাত কালজয়ী গান রয়েছে এর মধ্যে আপনার কাছে কোন গানগুলি বেশি জনপ্রিয়?

ফকির আলমগীর: অমি মনে করি বাগানের সব ফুলই সুন্দর আমার কাছে আমার সব গানই সন্তানতুল্য। তবে এর মাঝে মায়ের একধার দুধের ধার, ইস্কুল খোলেছেন,মন আমার দেহ ঘড়ি,ও সখিনা, মোর সখিনার কপালের টিপ,দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা,কালো কালো মানুষের দেশে,কৃষনার প্্েরম,বনমালি তুমিসহ অসংখ্য গান মানুষের মুখে মুখে। সিনেমাসহ গণসঙ্গিত লোকসঙ্গিত ও দেশাত্মবোধক গানসহ সব মিলে আমার গানের ভান্ডারে হাজার হাজার গান রয়েছে।

বিয়ানীবাজারবার্তা২৪.কম: আপনার সেই বিখ্যাত গান ওসখিনা সর্ম্পকে যদি বলতেন?

ফকির আলমগীর: সখিনা হচ্ছে প্রতীকি সত্তা। সখিনাতো একটি গান নয়। মোর সখিনার কপালে টিপ মুছে গেছে ঘামে, ফাঁকি দিয়ে গেলিরে তুই সখিনা,সখিনা তোর বিয়ার খবর পাইছি বাড়ি গিয়া, এরমধ্যে হয়তো –

“ওসখিনা গেছত কিনা
ভূইল্লা আমারে
আমি এখন রিক্সা চালাই
ঢাকা শহরে“
এটা বেশি জনপ্রিয়।

বিয়ানীবাজারবার্তা২৪.কম: দেশে বিদেশে সঙ্গিতে বিশেষ অবদানের জন্য আপনি অনেক পুরস্কার পেয়েছেন এর মধ্যে কোন পদক না পাওয়ার জন্য আপনার আক্ষেপ রয়েছে?

ফকির আলমগীর: (হতাশা ব্যক্ত করে) আমি ২০১৩ সালে ফেলোসিপ পেয়েছি, ২০১৫ সঙ্গিতে মহাসম্মান পদক পয়েছি পশ্চিমবঙ্গ সরকার থেকে,২০১৮তে ঢালিউড এওর্য়াড আমেরকিাতে, একুশে পদক পেয়েছি এটি খুব স্মরণীয়। কারন এবিএম মূসা, সূভাস দত্ত, কেজি মোস্তফা, হাসান আজিজুল হক, হাসান ইমাম, আলি যাকের, আলতামাসসহ স্ব- স্ব ক্ষেত্রে উজ্জলদের সাথে পেয়েছি ১৯৯৯ সালে। সেই ১৯ বছর আগে। সেই ধারাবাহিকতায় স্বাধীনতা পদক আমার প্রাপ্য ছিল। কারন আমি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বাধীণ বাংলা বেতার কেন্দ্রের একজন শব্দ সৈনিক হিসেবে বা ৫০ বছর গনসঙ্গিতকে আমি গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ছড়িয়ে দিয়েছি। সঙ্গীত যখন একটি ড্রয়িং রোমের বিষয় ছিল, কুক্ষিগত ছিল আমাদের সামাজিকতায়, আমাদের পরিমন্ডলে, সেখান থেকে পহেলা বৈশাখে আমি শিশু পার্কের সামনে কখনও উন্মুক্ত প্রাঙ্গনে নিয়ে এসেছি। সামাজিক দ্বায়বদ্ধতায় যেমন বন্যাসহ জাতীয় দূর্যোগ, মহামারি, রোহিঙ্গা ইস্যুসহ সমসাময়িক বিষয় ছাড়াও আমি শোষন বঞ্চনার বিরুদ্ধে গান গেয়েছি। লেলিন থেকে লালন, মাক্স থেকে মাইজভান্ডরি, গানের এইযে তাল এটা ধরে ৫০ বছর থেকে যে অবদান রাখছি সেটির জন্য আমি স্বাধীনতা পুরস্কার পাওয়ার দাবী রাখতে পারি। একজন মুক্তিযোদ্ধার স্পশের্, একজন গণগায়কের স্পর্শে, বাংলার লোকগায়কের স্পর্শে আমার মনে হয় সেটি আরো মহিমানিত হতো।

বিয়ানীবাজারবার্তা২৪.কম: আপনার কি মনে হয় কেনো? আপনি এখনো স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত হননি? ফকির আলমগীর: আমি সেই ২০০৭ সালে অবসরে গিয়েছি। আমি সরকারী চাকরি করতাম। আমি জিএম ছিলাম বাংলাদেশ ক্যামিক্যাল ইন্ড্রাস্টির। আমি এমএ করেছি সাংবাদিকতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ভূপেন হাজারিকা বলতো-

“তোমার একটা প্লাস পয়েন্ট তুমি পাস করেছে গনযোগাযোগ থেকে, কাজ করো জনসংযোগে, আর গান গাও গনসঙ্গিতে। পদকের চাইতে আমাকে পদবি গতভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের সরকার বিগত ১০ বছর থেকে ক্ষমতায় চাইলে আমাকে যেকোন জায়গায় বসাতে পারতো। আমাকে মুক্তিযোদ্ধের কোটা দেয়া হয়নি। আমাকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে।

বিয়ানীবাজারবার্তা২৪.কম: মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকার ক্ষমতায় স্বাধীনতার চেতনায় যারা বিশ্বাসী, তাদের বিভিন্নভাবে সম্মানিত করে থাকেন, আপনার কি মনে হয় আপনার আর সরকার প্রধানের মাঝে কোন পক্ষ বাধা সৃষ্টি করছে?

ফকির আলমগীর: মনে হয় এই রকম প্্রত্যাখাত হওয়ার চাইতে বঞ্চিত থাকা অনেক সুখের। আমি বঞ্চিত সুখী মানুষ। তারপরেও আমি বঙ্গবন্ধুর ভক্ত। বঙ্গবন্ধুর সৈনিক, তাঁর মানুষ। আমি সোনার বাংলা বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ এবং জাতির পিতা এই তিন বিষয়ের পতাকাকে আমি দেশে দেশে উড়াচ্ছি বাঙালি আর বাংলা ভাষাবাষিদের মাঝে। একুশকে তুলে ধরেছি। ভাষা আন্দোলনকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে তুলে ধরেছি নিংস্বার্ধভাবে। কোন কিছু পেলাম কি না পেলাম এটা বিষয় নয়। আমি এটা করতে গিয়ে বিশ্ব বাঙাালিদের যে ভালোবাসা পাচ্ছি তা অফুরন্ত। সেটা আমার কাছে এক বিরাট বিষয়।

বিয়ানীবাজারবার্তা২৪.কম: অনেকে তার শিল্পী সত্তা ধরে রাখতে পারেনি নানা কারনে বিশেষ করে আধুনিক যুগে সঙ্গিতের ধরন পাল্টে যাচ্ছে সঙ্গিতের প্রতি শ্রতাদের চাহিদা বদলাচ্ছে কিন্তু এর মধ্যেও এটা কিভাবে সম্ভব আপনি টানা ৫০ বছর ধরে মানুষের মনে স্থান করে আছেন?

ফকির আলমগীর: সঙ্গিত মানুষকে নিয়ে যেতে পারে তার পবিত্র আত্মার কাছে,সঙ্গিত শুদ্ধ করে তুলতে পারে একজন অপবিত্র মানুষকে। তুলে ধরতে পারে একটি জনপদের আবেগ আকাঙার বিজয়কে। আমি সেই সুর পেয়েছি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে। আসল গোপন কথা দেশপ্্েরম থাকতে হবে। যেখানে সস্তা বিনোদন থাকবে কমিটমেন্ট থাকবেনা সেখানে শিল্পী সত্তা টিকতে পারেনা। আমি তো মনে করি আমার সামাজিক অঙ্গিকার,সাংস্কৃতিক অঙ্গিকার আমাকে এতোদিন বাঁচিয়ে রেখেছে। আমি তো মনে করি প্্রবাসী মানুষ দেশের মায়ায় কাঁেদ এই যে সিলেটিরা বিশে^র বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের হয়ে অবদান রাখছে সেজন্য দেশের কথা যারা ভাবেন তাদের সবাই ভালোবাসেন। সেই জন্য সবকিছু পাল্টালেও দেশ পাল্টায় না, মা পাল্টায় না, মাটি বদলায় না।

বিয়ানীবাজারবার্তা২৪.কম: নতুন প্রজন্মরে জন্য যদি মুক্তিযুদ্ধের সময়ের স্মৃতিচারন করতেন?

ফকির আলমগীর: একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে আমি গর্ব করি। বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলন ষাটের দশকের আন্দোলনের সিঁড়ি বেয়ে গনঅভূত্যাণ অবশেষে মুক্তিযুদ্ধ। বঙ্গবন্ধুর ৭ই র্মাচের উত্তাল ভাষন শুনে তখন আমরা ২১ কিংবা ২২ বছরের এবং আরো কম বয়সের অনেকে তখন যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম। এখানে রাজপথে দূরন্ত মিছিলে সবাই ছুটে আসে রেসকোর্স ময়দানে। বঙ্গবন্ধুর ব্রজ কণ্ঠ ভেসে আসে। তিনি যেন কবিতার ঢেউ ঠেলে দিয়েছিলেন “এবারের সংগ্্রাম স্বাধীনতার সংগ্্রাম, এবারের সংগ্্রাম মুক্তির সংগ্্রাম‘। বঙ্গবন্ধুর সেই ভাষনের মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করেছিলেন। আমি স্যালুট করি জাতীয় চার নেতাকে। আমি স্মরণ করি যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। যার যার অবদানকে স্বীকার করতে হবে। সব ভেদাভেদ ভ’লে একটি বৈষমহীন সমাজ আমরা গড়তে চাই।

বিয়ানীবাজারবার্তা২৪.কম: আপনার বাড়ি ফরিদপুর কিভাবে সিলেট বিয়ে করলেন?

ফকির আলমগীর: আমি বিয়ে করেছি পরে কিন্তু গায়ক হিসেবে সিলেট গিয়েছি আগে। প্রথম যখন সিলেটে যাই সত্তর দশকে সুরমা পারের একটি হলে আমি গান গেয়েছি। সিলেটে একাধিকবার গিয়েছিলাম। মৌলভীবাজারে আমি যাই ১৯৭৬ সালে মহব্বতউ নেছার সঙ্গে গান গাইতে। সেখানে দশক হিসেবে ছিলেন আমার আজকের স্ত্রী তাঁর পরিবারের সবাই। পরের বছর আবার ৭৭ সালে মৌলভীবাজারে গান গাইতে যাই জনমিলন হলে। গানের আগের দিন আমি আমার বর্তমান শুশুড় বাড়িতে বিশ্রামের জন্য যাই। সেখানে আমার স্ত্রী ও শ্যালিকা আমার অটোগ্রাফ নেন। তিনি আমার গান শুনে মুগ্ধ হয়েছিলেন। এর এক পর্যায় দুজনের মাঝে চিঠি চালচালি পরে পারিবারিক সম্মতিতে আমরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই।

বিয়ানীবাজারবার্তা২৪.কম: নেলসেন ম্যান্ডেলাকে নিয়ে আপনার কালো কালো মানুষের দেশে গানের সুরকার হিসেবে সেজান মাহমুদ নিজেকে দাবী করেন এ বিষয়ে আপনার বক্তব্য কি?

ফকির আলমগীর: এই জনপ্রিয় গানটি তিনি লিখেছিলেন আর সুর করেছিলাম আমি সেই জাঙ্গিরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে। সেজান মাহমুদের স্মৃতি শক্তি এতো দূর্বল যে তিনি বারবার এই তর্কটা এনে বিব্রত করেন। সেই অবিস্মরণীয় গান যেটির সুর শুনলে, রিদম শূনলে বুঝা যায় এটি ফকির আলমগীরের রক্তে রক্তে মিশে আছে। ৩০ বছর ধরে এই গানটি দেশে বিদেশে আমি জনপ্রিয় করেছি। এরজন্য সেজান মাহমুদরে কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত। আমি একমাত্র শিল্পী বিগত ৫০ বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে অলি আলম ডাবলু, আবু আল সাঈদ, নুরুজ্জামান শেখ, মনিরুজ্জামান মনির, আহম্মদ সোফা, তসলিমা নাসরিন, সেজান মাহমুদ, আলতাফ আলি হাসু, এসব গীতিকারে গান আমি গেয়েছি। এসব গীতিকারের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। এই সমস্ত গীতিকাররা আমাকে গান দিয়েছেন বলে। কখনো আসি সুর করি, আবার কখনো অন্যকে দিয়ে সুর করিয়ে সমস্ত বাঙালীদের কাছে আমি পৌছে দিয়েছি।

বিয়ানীবাজারবার্তা২৪.কম: পরিশেষে যদি কিছু বলতেন?

ফকির আলমগীর: (ক্ষোভ প্রকাশ করে) আমি কিভাবে আছি আমার মুক্তিযুদ্ধের সরকার খবর নিলোনা। আমি যাদের গান গেয়ে ফিরছি যুগ যুগ থেকে তারা আমার খোঁজ নিলোনা। কিন্তু দূর্নীতিবাজরা, চাটুকররা সরকারের সুবিধা নিচ্ছে। হাইব্রিড নেতাদের দখলে এখন সরকার আর দেশ। একুশ বিরোধীরা পায় একুশে পদক। স্বাধীনতা বিরোধীরা পায় স্বাধীনতা পদক। সেটা হওয়া উচিত নয়। স্বাধীনতা পদক পাওয়ার জন্য মুক্তিযোদ্ধা হওয়া উচিত। ধন্যবাদ আপনাকে।

ফয়সল মাহমুদ: ধনবাদ আপনাকেও।

 





সর্বশেষ সংবাদ

Developed by :