Saturday, 24 August, 2019 খ্রীষ্টাব্দ | ৯ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |




৭ ডিসেম্বর বিয়ানীবাজার শত্রুমুক্ত দিবস

৭ ডিসম্বের, ২০১২ বিয়ানীবাজার শত্রুমুক্ত দিবসে এমএ আজিজকে সংবধর্না প্রধান করা হয় ------ফাইলফটো

৭ ডিসম্বের, ২০১২ বিয়ানীবাজার শত্রুমুক্ত দিবসে এমএ আজিজকে সংবধর্না প্রধান করা হয় ——ফাইলফটো

বিয়ানীবাজারবার্তা২৪.কম:: ৭ ডিসেম্বর বিয়ানীবাজার শত্রুমুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে কোম্পানী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ মুছব্বিরের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা-জনতা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিয়ে বিয়ানীবাজারে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন।

২০১২ সালের ৭ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ানীবাজার শত্রুমুক্ত দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বিয়ানীবাজার মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ড ও বিয়ানীবাজার রিপোর্টার্স ইউনিটি যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক এমএ আজিজকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। এ সময় মুক্তিযুদ্ধের কোম্পানী কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ মুছব্বির, তৎকালীন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার আতাউর রহমান খান, ইউএনও সুব্রত কুমার দেসহ অর্ধশত মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এ অনুষ্ঠানে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বিয়ানীবাজার শত্রুমুক্ত দিবস নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ মুছব্বির, এমএ আজিজসহ মুক্তিযোদ্ধারা বিয়ানীবাজার শত্রুমুক্ত দিবসের প্রেক্ষাপট ও সেদিনের ঘটনাপ্রবাহ বর্ণনা করেন। মুক্তিযোদ্ধারা ৭ ডিসেম্বরকে বিয়ানীবাজার শত্রুমুক্ত দিবস হিসেবে আখ্যায়িত করলে এ নিয়ে সকল মতানৈক্যের অবসান ঘটে।

ঐতিহাসিক ৭ ডিসেম্বর বিয়ানীবাজার শত্রুমুক্ত দিবস পালনের খবর তৎসময়ে জাতীয়, আঞ্চলিক ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সাপ্তাহিক বিয়ানীবাজার বার্তা পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় ‘বিয়ানীবাজার শত্রুমুক্ত দিবসে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবী’ শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয়।

সচেতন মহলের মতে, পাকবাহিনীর সাথে সম্মুখযুদ্ধে অংশ নিয়ে এ দেশকে স্বাধীন করেছেন মুক্তিযোদ্ধারা। যেসব মুক্তিযোদ্ধা সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন তারাই ৭ ডিসেম্বর বিয়ানীবাজার শত্রুমুক্ত দিবসের পতাকা উত্তোলন করেন। ঐতিহাসিক ঐদিনে উপস্থিত অনেকেই আজও জীবিত রয়েছেন এবং ২০১২ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুষ্ঠানে সকল বিতর্ক উড়িয়ে দিয়ে ৭ ডিসেম্বর বিয়ানীবাজার শত্রুমুক্ত দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন। এরপরও যদি কোনো আলোচক-সমালোচক বিয়ানীবাজার শত্রুমুক্ত দিবস নিয়ে বিতর্কে জড়াতে চান তা হবে দুঃখজনক। এমনকি বিষয়টি হবে ‘মার কাছে মামার বাড়ি গল্প’ বলার মতো।

২০১২ সালের ৭ ডিসেম্বর বক্তব্য রাখছেন মুক্তিযোদ্ধা এমএ মুছব্বির

২০১২ সালের ৭ ডিসেম্বর বক্তব্য রাখছেন মুক্তিযোদ্ধা এমএ মুছব্বির  ——ফাইলফটো

 

Developed by :